রঘু রাইয়ের ছবিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মানুষের সংগ্রাম, দেশের জন্য তাদের লড়াই, শরণার্থীদের হৃদয়বিদারক মুহূর্ত, ক্ষুধার্তদের হাহাকার, বিজয়ের আনন্দ- সমস্ত কিছুই ফুটে উঠেছে জীবন্ত হয়ে।
মুক্তিযুদ্ধের চিত্রপট জীবন্ত হয়ে মানুষের কাছে ধরা পড়ে কিছু আলোকচিত্রীর ছবিতে। জীবনের তোয়াক্কা না করে তারা বিশ্বকে দেখিয়ে গেছেন যুদ্ধের ভয়াবহতা।
কিংবদন্তি এই আলোকচিত্রশিল্পীর জন্ম ১৯৪২ সালের ডিসেম্বরে। অবিভক্ত ভারতের ঝাং (এখন পাকিস্তানের অংশ) শহরে তার বেড়ে ওঠা।
জীবনের শুরুতে তিনি ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তবে মাত্র ২৩ বছর বয়সে বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় তার ফটোগ্রাফির হওয়ার যাত্রা শুরু হয়, যা পরবর্তীকালে তাকে বিশ্বখ্যাত ফটোসাংবাদিকে পরিণত করে।
তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে তিনি ভারতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী পুরস্কার পান। এরপরও তিনি বিশ্বব্যাপী নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আলোকচিত্র ধারণ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
পেশাগত জীবনে ১৯৬৬ সালে ফটোগ্রাফি সাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন দি স্টেটসম্যান পত্রিকায়। সেখানে কর্মরত ছিলেন ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। এরপর নানা সময়ে নানা জায়গায় কাজ করে গেছেন তিনি। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন বিভিন্ন পুরষ্কারও। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এ প্রকাশিত গল্প ‘ভারতের বন্যপ্রাণীর মানব ব্যবস্থাপনা’র জন্য ১৯৯২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘বর্ষসেরা ফটোগ্রাফার’ পুরস্কার লাভ করেন।
























