ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালকা বানুর দেশে রে… জাভেদের সিনেমার এই গান ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে মুখে

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 49

মালকা বানুর দেশে রে... জাভেদের সিনেমার এই গান ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে মুখে

ফয়েজ চৌধুরী পরিচালিত মালকা বানু ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৪ সালের ১৫ নভেম্বর। ছবিতে সওদাগর আমির মোহাম্মদ চৌধুরীর ছিল এক কন্যা ও সাত পুত্র সন্তান।

মনু মিয়া একদিন পাইক-পেয়াদাদের সঙ্গে নিয়ে বাঁশখালীর সরল গ্রামে যান। পথে ক্লান্ত হয়ে পড়লে তারা সওদাগরের বাড়িতে গিয়ে কিছু সময় বিশ্রাম করেন।

ঠিক সেই সময় মনু মিয়ার নজরে পড়ে অনিন্দ্য সুন্দরী সওদাগরের কন্যা মালকা বানু।তখন মালকা বানু কাজির মক্তবে অধ্যয়ন করছিলেন। সেখানেই মনু মিঞা ও মালকা বানুর চোখের মিলন ঘটে। তখন থেকেই মালকা বানুর প্রেমে পড়েন মনু মিঞা।

এই মালকা বানু ছিলেন শাবানা ও মনু মিয়া ছিলেন জাভেদ।

নানা ঘটন অঘটনের মধ্য দিয়ে মালকা বানুকে বিয়ে নিয়ে রাজপ্রাসাদে আসেন, এরপর শুরু হয় গান, মালকা বানুর দেশেরে বিয়ার বাদ্য আল্লাহ বাজেরে মনু মিঞার দেশেরে বিয়ার বাদ্য আল্লাহ বাজেরে মালকা বানুর সাথে রে।…

এই গান এতোটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে সত্তর দশক আশির দশকে মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। এই জনপ্রিয়তার কারণেই পরে মালকা বানু রঙিন ভার্সন তৈরি হয়।

সুপারহিট এই চলচ্চিত্রের পুনর্নির্মাণ হয় করা ১৯৯১ সালে। চলচ্চিত্রের নাম ছিল রঙিন মালকা বানু। কামরুজ্জামান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও চম্পা। এই চলচ্চিত্রও হয়েছিল ব্যবসাসফল।

মালকা বানু ও মনু মিয়ার গল্প শুধুই সিনেমার গল্প ছিল না।

জাভেদ-শাবানার সিনেমার কল্যাণে মালকা বানু-মনু মিয়ার গান জনপ্রিয়তা পায়। মূলত এই গানের বদৌলতেই মানুষের আগ্রহ জাগে মালকা বানু ও মনু মিয়ার কাহিনি নিয়ে। তবে মনু মিয়া কেবলই লোককাহিনির চরিত্র ছিল না। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা গ্রামে এখনো তাঁর নির্মিত মসজিদ রয়েছে। আর মালকা বানুর স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে। এখানে রয়েছে মালকা বানুর মসজিদ ও দিঘি। প্রচলিত নানা কাহিনি ঘেঁটে জানা যাচ্ছে, মালকা বানু ছিলেন মনু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। তাঁর প্রথম স্ত্রী খোরসা বানুর কোনো সন্তান ছিল না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মালকা বানুর দেশে রে… জাভেদের সিনেমার এই গান ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে মুখে

আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
ফয়েজ চৌধুরী পরিচালিত মালকা বানু ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৪ সালের ১৫ নভেম্বর। ছবিতে সওদাগর আমির মোহাম্মদ চৌধুরীর ছিল এক কন্যা ও সাত পুত্র সন্তান।

মনু মিয়া একদিন পাইক-পেয়াদাদের সঙ্গে নিয়ে বাঁশখালীর সরল গ্রামে যান। পথে ক্লান্ত হয়ে পড়লে তারা সওদাগরের বাড়িতে গিয়ে কিছু সময় বিশ্রাম করেন।

ঠিক সেই সময় মনু মিয়ার নজরে পড়ে অনিন্দ্য সুন্দরী সওদাগরের কন্যা মালকা বানু।তখন মালকা বানু কাজির মক্তবে অধ্যয়ন করছিলেন। সেখানেই মনু মিঞা ও মালকা বানুর চোখের মিলন ঘটে। তখন থেকেই মালকা বানুর প্রেমে পড়েন মনু মিঞা।

এই মালকা বানু ছিলেন শাবানা ও মনু মিয়া ছিলেন জাভেদ।

নানা ঘটন অঘটনের মধ্য দিয়ে মালকা বানুকে বিয়ে নিয়ে রাজপ্রাসাদে আসেন, এরপর শুরু হয় গান, মালকা বানুর দেশেরে বিয়ার বাদ্য আল্লাহ বাজেরে মনু মিঞার দেশেরে বিয়ার বাদ্য আল্লাহ বাজেরে মালকা বানুর সাথে রে।…

এই গান এতোটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে সত্তর দশক আশির দশকে মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। এই জনপ্রিয়তার কারণেই পরে মালকা বানু রঙিন ভার্সন তৈরি হয়।

সুপারহিট এই চলচ্চিত্রের পুনর্নির্মাণ হয় করা ১৯৯১ সালে। চলচ্চিত্রের নাম ছিল রঙিন মালকা বানু। কামরুজ্জামান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও চম্পা। এই চলচ্চিত্রও হয়েছিল ব্যবসাসফল।

মালকা বানু ও মনু মিয়ার গল্প শুধুই সিনেমার গল্প ছিল না।

জাভেদ-শাবানার সিনেমার কল্যাণে মালকা বানু-মনু মিয়ার গান জনপ্রিয়তা পায়। মূলত এই গানের বদৌলতেই মানুষের আগ্রহ জাগে মালকা বানু ও মনু মিয়ার কাহিনি নিয়ে। তবে মনু মিয়া কেবলই লোককাহিনির চরিত্র ছিল না। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা গ্রামে এখনো তাঁর নির্মিত মসজিদ রয়েছে। আর মালকা বানুর স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে। এখানে রয়েছে মালকা বানুর মসজিদ ও দিঘি। প্রচলিত নানা কাহিনি ঘেঁটে জানা যাচ্ছে, মালকা বানু ছিলেন মনু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। তাঁর প্রথম স্ত্রী খোরসা বানুর কোনো সন্তান ছিল না।