ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ও ব্যক্তিগত আইডি থেকে তাঁর নামে ভুয়া ‘মৃত্যুর খবর’ প্রচার করা হয়।

কিছু ফটোকার্ডও দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার।কারিনার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ জানান, এমন গুজব পরিবারের জন্য মানসিকভাবে আরও কষ্টের হয়ে উঠছে।

শুক্রবার সকালে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা যেকোনো সময় মরে যেতে পারি, দুই মিনিটের গ্যারান্টি নেই।

কারিনার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ফুসফুসে কিছুটা ইনফেকশন আছে, এটা ধীরে ধীরে রিকভারি করছে। এরপর লিভারের চিকিৎসা হবে। এর মাঝে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকালও আমার দুই ছেলের কিছু টেস্ট হয়েছে।

লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ কারিনা বর্তমানে ভারতের চেন্নাইয়ের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে চেন্নাই নেওয়া হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মা ও দুই ভাই।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে একসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই–এর জটিলতা দেখা দিলে লিভার ফেইলিউরের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান কারিনা কায়সার। পরবর্তীতে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও নাটকে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করেন এই তরুণ নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পী।

কারিনার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালী গলাচিপায় ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারীসহ চার মাদক কারবারি আটক।

কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব

আপডেট সময় : ০৯:০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ও ব্যক্তিগত আইডি থেকে তাঁর নামে ভুয়া ‘মৃত্যুর খবর’ প্রচার করা হয়।

কিছু ফটোকার্ডও দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার।কারিনার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ জানান, এমন গুজব পরিবারের জন্য মানসিকভাবে আরও কষ্টের হয়ে উঠছে।

শুক্রবার সকালে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা যেকোনো সময় মরে যেতে পারি, দুই মিনিটের গ্যারান্টি নেই।

কারিনার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ফুসফুসে কিছুটা ইনফেকশন আছে, এটা ধীরে ধীরে রিকভারি করছে। এরপর লিভারের চিকিৎসা হবে। এর মাঝে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকালও আমার দুই ছেলের কিছু টেস্ট হয়েছে।

লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ কারিনা বর্তমানে ভারতের চেন্নাইয়ের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে চেন্নাই নেওয়া হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মা ও দুই ভাই।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে একসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই–এর জটিলতা দেখা দিলে লিভার ফেইলিউরের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান কারিনা কায়সার। পরবর্তীতে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও নাটকে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করেন এই তরুণ নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পী।

কারিনার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’