গতকাল দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডি মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত দুর্নীতিবিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর জাফর সাদিক। এতে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সব সুপারিশ অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নসহ ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। যার মধ্যে রয়েছে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ করতে হবে, প্রেস কাউন্সিল বিলুপ্ত করে স্বাধীন জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে হবে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সব গণমাধ্যমকে জাতীয় বা বাংলাদেশ সম্প্রচার সংস্থা গঠন করে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে।
সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা শ্রম আইন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী করতে হবে, নিয়মিত বেতন-ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি চাকরির সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে, মাঝারি ও বৃহৎ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত করে সবার জন্য শেয়ার ওপেন করে দিতে হবে, ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানকর্মীদের শেয়ার প্রদান বাধ্যতামূলক করতে হবে।
ভুয়া ও অপতথ্য মোকাবেলায় প্রতিটি গণমাধ্যমের নিউজরুমে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে। প্রয়োজনে ফ্যাক্ট চেকার পদে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ একাধিক কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। প্রতিনিয়ত ভুয়া ও অপতথ্য, গুজব ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারকারী সব গণমাধ্যমকে (অনলাইন পোর্টাল ও মেটার সব প্ল্যাটফর্মে) প্রাথমিকভাবে সতর্কতা ও জরিমানাসহ লঘু দণ্ডের পরও অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলে কিংবা মালিকপক্ষ অপ্রকাশিত থাকলে সেগুলো বন্ধ করে দিয়ে মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ফটোকার্ড তৈরি ও প্রচারের নির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করতে হবে।
























