ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয়তার চাপেই কি নে,শা,য় আ,স,ক্ত হয়েছিলেন পর্দার ‘হ্যারি পটার’ খ্যাত ড্যানিয়েল?

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • 28

জনপ্রিয়তার চাপেই কি নেশায় আসক্ত হয়েছিলেন পর্দার ‘হ্যারি পটার’ খ্যাত ড্যানিয়েল?

সিনেমা প্রেমীদের কাছে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ মানেই পর্দার হ্যারি পটার। খুব অল্প বয়সেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি আর দুহাত ভরে টাকা এলেও, তার নেপথ্যে ছিল এক অন্ধকার অধ্যায়। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই প্রচণ্ড মানসিক চাপে ড্যানিয়েল মদ্যপান ও ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েন।

ড্যানিয়েলের মতে, ছোটবেলার সেই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা সামলানো সহজ ছিল না।

সবার কাছে প্রিয় অভিনেতা হয়ে ওঠার বাড়তি চাপ থেকেই তিনি নেশার আশ্রয় নেন। প্রথমে মনে হতো এতে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে, কিন্তু আসলে তা তার শরীর ও মনের মারাত্মক ক্ষতি করছিল।

২০১০ সালে প্রথমবার বুঝতে পারেন তিনি বড় সমস্যায় আছেন এবং নেশা ছাড়ার চেষ্টা করেন। ২০১২ সালে মাঝপথে আবারও নেশায় ডুবে যান।

এবার শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে তিনি প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন।

নেশা ছাড়তে তিনি শরীরচর্চায় মন দেন। কফি, সিগারেট ও মদ পুরোপুরি বর্জন করেন। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তার মস্তিষ্ককে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

ড্যানিয়েল এখন শিশুশিল্পীদের জন্য সেটে থেরাপি বা মানসিক কাউন্সেলিং-এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি মনে করেন, সঠিক সময়ে পরিবার ও বন্ধুদের সমর্থন পেলে যেকোনো কঠিন নেশা থেকেই বেরিয়ে আসা সম্ভব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয়তার চাপেই কি নে,শা,য় আ,স,ক্ত হয়েছিলেন পর্দার ‘হ্যারি পটার’ খ্যাত ড্যানিয়েল?

আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

সিনেমা প্রেমীদের কাছে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ মানেই পর্দার হ্যারি পটার। খুব অল্প বয়সেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি আর দুহাত ভরে টাকা এলেও, তার নেপথ্যে ছিল এক অন্ধকার অধ্যায়। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই প্রচণ্ড মানসিক চাপে ড্যানিয়েল মদ্যপান ও ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েন।

ড্যানিয়েলের মতে, ছোটবেলার সেই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা সামলানো সহজ ছিল না।

সবার কাছে প্রিয় অভিনেতা হয়ে ওঠার বাড়তি চাপ থেকেই তিনি নেশার আশ্রয় নেন। প্রথমে মনে হতো এতে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে, কিন্তু আসলে তা তার শরীর ও মনের মারাত্মক ক্ষতি করছিল।

২০১০ সালে প্রথমবার বুঝতে পারেন তিনি বড় সমস্যায় আছেন এবং নেশা ছাড়ার চেষ্টা করেন। ২০১২ সালে মাঝপথে আবারও নেশায় ডুবে যান।

এবার শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে তিনি প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন।

নেশা ছাড়তে তিনি শরীরচর্চায় মন দেন। কফি, সিগারেট ও মদ পুরোপুরি বর্জন করেন। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তার মস্তিষ্ককে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

ড্যানিয়েল এখন শিশুশিল্পীদের জন্য সেটে থেরাপি বা মানসিক কাউন্সেলিং-এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি মনে করেন, সঠিক সময়ে পরিবার ও বন্ধুদের সমর্থন পেলে যেকোনো কঠিন নেশা থেকেই বেরিয়ে আসা সম্ভব।