ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো সেই নায়িকা এইডসে আক্রান্ত মৃত্যুকালীন ছবি ভাইরাল

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • 704

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো সেই নায়িকা এইডসে আক্রান্ত মৃত্যুকালীন ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক- এক সময়ে পর্দা কাঁপানো দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা নিশা নুর এইডসে আক্রান্ত হয়ে ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। বহু তামিল এবং মালয়ালম সিনেমায় সুপারস্টার রজনীকান্ত এবং কমল হাসানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।

সম্প্রতি নায়িকার মৃত্যুর আগে চেহারার রুপ যে আকার ধারণ করেছিল তারই একটি ছবি অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। খবর বলিউড ট্যাবলয়েড ডটকমের।

খবরে বলা হয়, নিশা নুর যখন তামিল সিনেমা ছেড়ে দেন তখন তাকে পতিতাবৃত্তিতে নামতে বাধ্য করা হয়। একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হওয়ায় তার শরীরে বাসা বাধে মরণব্যাধী এইডস।

অবশ্য প্রথমদিকে তিনি নিজেও জানতেন না তার এইডস হয়েছে। তামিল নাড়ুর একটি হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। ধীরে ধীরে তার শরীরের এমন অবস্থা হয় যে তাকে দেখলেই মানুষ ভয়ে আঁতকে উঠত। তার মুখয়াব দেখে চেনার উপায় ছিল না।

টিক টিক টিক (১৯৮১), কল্যাণা আগাথিগাল (১৯৮৬) এবং আইয়ের দ্য গ্রেট (১৯৯০) সিনেমার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন এই অভিনেত্রী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো সেই নায়িকা এইডসে আক্রান্ত মৃত্যুকালীন ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

এক সময়ের পর্দা কাঁপানো সেই নায়িকা এইডসে আক্রান্ত মৃত্যুকালীন ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক- এক সময়ে পর্দা কাঁপানো দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা নিশা নুর এইডসে আক্রান্ত হয়ে ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। বহু তামিল এবং মালয়ালম সিনেমায় সুপারস্টার রজনীকান্ত এবং কমল হাসানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।

সম্প্রতি নায়িকার মৃত্যুর আগে চেহারার রুপ যে আকার ধারণ করেছিল তারই একটি ছবি অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। খবর বলিউড ট্যাবলয়েড ডটকমের।

খবরে বলা হয়, নিশা নুর যখন তামিল সিনেমা ছেড়ে দেন তখন তাকে পতিতাবৃত্তিতে নামতে বাধ্য করা হয়। একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হওয়ায় তার শরীরে বাসা বাধে মরণব্যাধী এইডস।

অবশ্য প্রথমদিকে তিনি নিজেও জানতেন না তার এইডস হয়েছে। তামিল নাড়ুর একটি হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। ধীরে ধীরে তার শরীরের এমন অবস্থা হয় যে তাকে দেখলেই মানুষ ভয়ে আঁতকে উঠত। তার মুখয়াব দেখে চেনার উপায় ছিল না।

টিক টিক টিক (১৯৮১), কল্যাণা আগাথিগাল (১৯৮৬) এবং আইয়ের দ্য গ্রেট (১৯৯০) সিনেমার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন এই অভিনেত্রী।