তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা প্রস্তুত—তৈরি এবং সজ্জিত।’ গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়—যা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান অভিযানে যুক্ত হওয়ার অংশ ছিল।
ইরান লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়।
এদিকে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের এক স্থানীয় কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, যে কোনো অস্থিরতা বা বেআইনি সমাবেশ ‘কঠোর ও নির্দয়ভাবে’ দমন করা হবে, যা সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভে পশ্চিমাঞ্চলীয় লোরেস্তান ও চাহারমাহাল-ও- বাখতিয়ারি প্রদেশে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
সাম্প্রতিক দশকগুলোতে ইরান কয়েক দফা বড় ধরনের অস্থিরতা মোকাবেলা করেছে, যেখানে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা ও গণগ্রেপ্তার সাধারণ ঘটনা ছিল। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট এবার কর্তৃপক্ষকে আরো দুর্বল করে তুলতে পারে।
ট্রাম্পের হুমকির আগেই বৃহস্পতিবার পেজেশকিয়ান স্বীকার করেন, কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাই সংকটের পেছনে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দোষ আমাদেরই… দোষ খুঁজতে আমেরিকা বা অন্য কারো দিকে তাকাবেন না। জনগণ যাতে সন্তুষ্ট থাকে—আমাদেরই সঠিকভাবে সেবা দিতে হবে… এই সমস্যাগুলোর সমাধান আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে।
গত বছরের ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের পতন এবং ইরানের প্রধান আঞ্চলিক অংশীদার, লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা।
লারিজানি বলেন, ‘আমেরিকান জনগণকে জানা উচিত—ট্রাম্পই এই দুঃসাহসিকতা শুরু করেছেন। তাদের উচিত নিজেদের সেনাদের দিকে খেয়াল রাখা।
























