ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইইউ দেশগুলো থেকে প্রবেশ বৃদ্ধির আশংকায়, ইইউ নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে অবাধে প্রবেশ বন্ধ হচ্ছে

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • 601

 

ব্রিটেনে ইইউ পাসপোর্টধারীদের অবাধে প্রবেশের অধিকার খর্ব করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ইইউভুক্ত দেশগুলো থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের হার বৃদ্ধি পেতে পারে এমন আশংকা থেকে ব্রেক্সিট কার্যকর হবার আগেই এমন পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। টেলিগ্রাফ বলছে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চাইলে ইইউ চুক্তির অনেক শর্তের বিরুদ্ধে যেতে হবে থেরেসা মে কে।

আগামী মাসে ব্রেক্সিট থেকে বের হতে আর্টিকেল ৫০ উপস্থাপনের সময়ই এই সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যুক্তরাজ্য সরকার আশংকা করছে যে ব্রেক্সিট কার্যকরের আগে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার মোট জনসংখ্যার অর্ধেক সংখ্যক লোক যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী মে ১৫ মার্চের আগে যেকোনো দিন যুক্তরাজ্যে অবাধে চলাচলের ‘ডেডলাইন’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন। এই সময়ের পরে যারা যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করবেন তারা দেশটিতে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন না। এই ডেডলাইনের মধ্যে ৩.৬ মিলিয়ন ইউরোপিয় ইউনিয়নের নাগরিক যারা ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে বাস করছেন এবং যুক্তরাজ্যের নাগরিক যারা ইইউভুক্ত দেশগুলোতে থাকছেন, শুধুমাত্র তাদের অধিকারই সংরক্ষিত হবে।

ইউরোপিয় ইউনিয়নের বিরোধী কনসারভেটিভ এমপি ইয়েন ডানকান স্মিথ বলেছেন, থেরেসা বুঝতে পেরেছেন যে নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। ইউরোপিয় ইউনিয়ন দিনদিন অসৎ এবং দুর্বোধ্য হয়ে উঠছে, তাই ডেডলাইনের বিষয়ে থেরেসা মে তার বক্তব্য আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট করবেন। দ্য টেলিগ্রাফ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইইউ দেশগুলো থেকে প্রবেশ বৃদ্ধির আশংকায়, ইইউ নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে অবাধে প্রবেশ বন্ধ হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

 

ব্রিটেনে ইইউ পাসপোর্টধারীদের অবাধে প্রবেশের অধিকার খর্ব করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ইইউভুক্ত দেশগুলো থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের হার বৃদ্ধি পেতে পারে এমন আশংকা থেকে ব্রেক্সিট কার্যকর হবার আগেই এমন পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। টেলিগ্রাফ বলছে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চাইলে ইইউ চুক্তির অনেক শর্তের বিরুদ্ধে যেতে হবে থেরেসা মে কে।

আগামী মাসে ব্রেক্সিট থেকে বের হতে আর্টিকেল ৫০ উপস্থাপনের সময়ই এই সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যুক্তরাজ্য সরকার আশংকা করছে যে ব্রেক্সিট কার্যকরের আগে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার মোট জনসংখ্যার অর্ধেক সংখ্যক লোক যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী মে ১৫ মার্চের আগে যেকোনো দিন যুক্তরাজ্যে অবাধে চলাচলের ‘ডেডলাইন’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন। এই সময়ের পরে যারা যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করবেন তারা দেশটিতে স্থায়ীভাবে থাকতে পারবেন না। এই ডেডলাইনের মধ্যে ৩.৬ মিলিয়ন ইউরোপিয় ইউনিয়নের নাগরিক যারা ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে বাস করছেন এবং যুক্তরাজ্যের নাগরিক যারা ইইউভুক্ত দেশগুলোতে থাকছেন, শুধুমাত্র তাদের অধিকারই সংরক্ষিত হবে।

ইউরোপিয় ইউনিয়নের বিরোধী কনসারভেটিভ এমপি ইয়েন ডানকান স্মিথ বলেছেন, থেরেসা বুঝতে পেরেছেন যে নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। ইউরোপিয় ইউনিয়ন দিনদিন অসৎ এবং দুর্বোধ্য হয়ে উঠছে, তাই ডেডলাইনের বিষয়ে থেরেসা মে তার বক্তব্য আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট করবেন। দ্য টেলিগ্রাফ