ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় প্যারোলে অংশ নেওয়া যুবলীগ নেতা সুমন জামিনে মুক্ত

তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানের জানাজায় অংশ নেওয়া যুবলীগ নেতা মো. সুমন অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় চার মাস কারাভোগের পর বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর বিকেল ৫টায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে নারায়ণগঞ্জের দড়ি সোনাকান্দা মোড়ে পুলিশি পাহারায় স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানের জানাজায় অংশ নেন তিনি।
এর তিন দিন আগে বন্দর থানা পুলিশ তাকে বৈষম্যবিরোধী বিস্ফোরক মামলায় সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
এদিকে গ্রেপ্তারের পর তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হাফেজা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। তবে দুঃখজনকভাবে নবজাতক সন্তান জন্মের পরপরই মারা যায়। একই দিন রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফেজা বেগম।
স্ত্রী ও নবজাতকের মৃত্যুর পরদিন তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তাদের জানাজায় অংশ নিয়েছিলেন সুমন।
দীর্ঘ প্রায় চার মাস কারাভোগের পর অবশেষে ১১ মার্চ বিকেলে জামিনে মুক্তি পান তিনি। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির সময় তাকে নিতে আসে তার একমাত্র মেয়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় প্যারোলে অংশ নেওয়া যুবলীগ নেতা সুমন জামিনে মুক্ত

আপডেট সময় : ০৪:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানের জানাজায় অংশ নেওয়া যুবলীগ নেতা মো. সুমন অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় চার মাস কারাভোগের পর বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর বিকেল ৫টায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে নারায়ণগঞ্জের দড়ি সোনাকান্দা মোড়ে পুলিশি পাহারায় স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানের জানাজায় অংশ নেন তিনি।
এর তিন দিন আগে বন্দর থানা পুলিশ তাকে বৈষম্যবিরোধী বিস্ফোরক মামলায় সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
এদিকে গ্রেপ্তারের পর তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হাফেজা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। তবে দুঃখজনকভাবে নবজাতক সন্তান জন্মের পরপরই মারা যায়। একই দিন রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফেজা বেগম।
স্ত্রী ও নবজাতকের মৃত্যুর পরদিন তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তাদের জানাজায় অংশ নিয়েছিলেন সুমন।
দীর্ঘ প্রায় চার মাস কারাভোগের পর অবশেষে ১১ মার্চ বিকেলে জামিনে মুক্তি পান তিনি। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির সময় তাকে নিতে আসে তার একমাত্র মেয়ে।