ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিঙ্গাপুরের আকাশে হঠাৎ বহু রঙের দুর্লভ মেঘ

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • 333

সিঙ্গাপুরের আকাশে হঠাৎ বহু রঙের দুর্লভ মেঘ

সিঙ্গাপুরের আকাশে সোমবার বিকেলে এক দুর্লভ ধরণের বহুরঙা মেঘ দেখা গেছে

স্থানীয় পত্রপত্রিকা বলছে, এটা সম্ভবত ছিল যাকে বলা হয় ‘আগুনে-রংধনু’ বা ফায়ার রেইনবো । আকাশে বরফ-স্ফটিকের মেঘ তৈরি হলে এবং তাতে সূর্যের আলো পড়লে এই বিশেষ ধরণের রংধনু সৃষ্টি হয়।

তবে অন্য অন্য অনেকে বলেছেন বায়ুমন্ডলে পানির কণা বা স্ফটিক থেকে আলো ছিটকে পড়েও এমনটা হতে পারে।

নগর-রাষ্ট্রটির বাসিন্দাদের মোহিত করেছে এই বহুবর্ণিল মেঘ – যা দেখা গেছে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, শুরুতে এটা ছিল কমলা রঙের একটা বৃত্তের মতো, কিন্তু তার পরএটা ক্রমশ আরো বড় হতে লাগলোএবং অন্য আরো নানা রঙ ফুটে উঠতে শুরু করলো।

সিঙ্গাপুর
অনেকেই এর ছবি সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোয় পোস্ট করেন
স্কুলের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে বড়রা পর্যন্ত সবাই এটা দেখে উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন।

কারণ এরকম নানা রঙের মেঘ দেখতে পাওয়াটা খুবই দুর্লভ ঘটনা।

অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটে এর ছবি দিতে থাকেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গাপুরের আকাশে হঠাৎ বহু রঙের দুর্লভ মেঘ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সিঙ্গাপুরের আকাশে হঠাৎ বহু রঙের দুর্লভ মেঘ

সিঙ্গাপুরের আকাশে সোমবার বিকেলে এক দুর্লভ ধরণের বহুরঙা মেঘ দেখা গেছে

স্থানীয় পত্রপত্রিকা বলছে, এটা সম্ভবত ছিল যাকে বলা হয় ‘আগুনে-রংধনু’ বা ফায়ার রেইনবো । আকাশে বরফ-স্ফটিকের মেঘ তৈরি হলে এবং তাতে সূর্যের আলো পড়লে এই বিশেষ ধরণের রংধনু সৃষ্টি হয়।

তবে অন্য অন্য অনেকে বলেছেন বায়ুমন্ডলে পানির কণা বা স্ফটিক থেকে আলো ছিটকে পড়েও এমনটা হতে পারে।

নগর-রাষ্ট্রটির বাসিন্দাদের মোহিত করেছে এই বহুবর্ণিল মেঘ – যা দেখা গেছে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, শুরুতে এটা ছিল কমলা রঙের একটা বৃত্তের মতো, কিন্তু তার পরএটা ক্রমশ আরো বড় হতে লাগলোএবং অন্য আরো নানা রঙ ফুটে উঠতে শুরু করলো।

সিঙ্গাপুর
অনেকেই এর ছবি সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোয় পোস্ট করেন
স্কুলের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে বড়রা পর্যন্ত সবাই এটা দেখে উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন।

কারণ এরকম নানা রঙের মেঘ দেখতে পাওয়াটা খুবই দুর্লভ ঘটনা।

অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটে এর ছবি দিতে থাকেন।