যেসব মুসলিম নর-নারীর মালিকানায় মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা অথবা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় থাকবে, তার নিজের এবং তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব।
রমজানের রোজা পালনে যে ব্যক্তি অক্ষম ওই ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে তার ওপরও সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে। নেসাবের ক্ষেত্রে সোনা, রুপা, নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য এবং অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্রও হিসাব করতে হবে। সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে উল্লিখিত সম্পদের মালিকানা বছর অতিক্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
তবে জাকাত ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে নেসাব পরিমাণ মাল মালিকানায় আসার পর বছর অতিক্রান্ত হতে হয়।
মাতা-পিতা ও প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব নয়; তবে তাদের পক্ষ থেকে প্রদান করলে আদায় হয়ে যাবে। যাদেরকে জাকাত প্রদান করা যায় এমন গরিব অসহায়দেরকে সদকাতুল ফিতর প্রদান করতে হবে। জাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিককে, নিজের মাতা-পিতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনিদেরকে এবং স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সদকাতুল ফিতর দিতে পারবেন না।
অনলাইন ডেস্ক, 

























