ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
মিম বলেন, ‘প্রকৃত অর্থে পেশাদার সাংবাদিকরা কখনোই এ ধরনের আচরণ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, তারা মূলত কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা বিভিন্ন পেজ পরিচালনাকারী, যাদের মূল লক্ষ্য থাকে ভিউ পাওয়া।
এই নায়িকা আরো বলেন, এত বছরের অভিজ্ঞতায় আমি কখনো এমন কিছু দেখিনি। তবে যখন কোনো অনুষ্ঠান হয়, তখন বাইরের কিছু লোক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সেখানে উপস্থিত থাকে। মূলত সেখান থেকেই ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
তাঁর কথায়, আপনারা যেমন দর্শকদের জন্য দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করেন, তেমনি আমরাও কাজ করি। সহকর্মী হিসেবে আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা ও সম্মান আছে। এই সম্পর্কটা সবসময় বজায় থাকা উচিত।
এর আগে অবন্তীর প্রতিবাদ করা সেই ভিডিও শেয়ার করে চিত্রনায়িকা পরীমনি তাঁর ফেসবুকে লিখেন, ‘কেউ ন্যায্য হয়ে শুধু আঙ্গুল তুললেই হলো ব্যাস! সে খারাপ, সেই খারাপ। দুনিয়ার সব দোষ তার।
এই ঘটনার পর বিনোদন অঙ্গনে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, পেশাদার আচরণ এবং সংবাদ সংগ্রহের নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিনোদন ডেস্ক 

























