ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে গ্রামে অসুস্থ হওয়া নিষিদ্ধ

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০১৫
  • 377

স্টাফ রিপোর্টার,
380
ইটালির দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রাম সেলিয়ায় অসুস্থ হওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ডিক্রি জারি করেছেন গ্রামের মেয়র।

গ্রামের কোনও বাসিন্দা সময়মত ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অসুস্থ হলে তাকে বাড়তি কর দিতে হবে। আর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সুস্থ থাকলে তাকে কর সুবিধা দেওয়া হবে।

এজিআই বার্তা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, একসাথে দুটো লক্ষ্য অর্জনে সেলিয়ার মেয়র ডাভিড জিক্কিনেলা অভিনব এই নির্দেশ জারি করেছেন — স্থানীয় বাসিন্দাদের সুস্থতা এবং সেইসাথে গ্রামের জনসংখ্যা হ্রাস থামানো।

মেয়র জিক্কিনেলা, যিনি নিজে একজন চিকিৎসক, বলেন, “যারা রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে নিজের স্বাস্থ্য তথা আমাদের পুরো গ্রামকে বিপদগ্রস্ত করবে, তাদের বাড়তি কর গুনতে হবে।”

গ্রাম পরিষদের ওয়েবসাইটে মেয়রের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রামের মধ্যে রোগগ্রস্থ হওয়া “নিষিদ্ধ”।

সেলিয়ায় ১৯৫১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১৪০০। তা কমতে কমতে এখন দাঁড়িয়েছে পাঁচশতে, যাদের ৬০ শতাংশই পেনশনার।

মেয়র জিক্কিনেলা বলেন, গ্রামের লোকসংখ্যা আরও কমুক, তিনি তা কোনোমতেই চান না। সবধরনের স্বাস্থ্য সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তিনি শুধু চাইছেন মানুষ যেন সেগুলোর সুযোগ নেয়।

সুস্থতার জন্য তার এই শক্ত পদক্ষেপ কাজে লাগছে বলে মনে হয়। গত এক মাসে একশর মত লোক স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন।

লেখাপড়া এবং কাজের জন্য তরুণ যুবকদের বাড়ি ছাড়ার প্রবণতার জেরে ইটালির গ্রাম এবং ছোট ছোট শহরে জনসংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিকরা অনেকদিন ধরেই চিন্তিত।

মানুষজন যাতে শহর না ছাড়ে, সে জন্য সিসিলির গাঙ্গি নামক একটি শহরে পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকে বিনা পয়সায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

যে গ্রামে অসুস্থ হওয়া নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১১:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
380
ইটালির দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রাম সেলিয়ায় অসুস্থ হওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ডিক্রি জারি করেছেন গ্রামের মেয়র।

গ্রামের কোনও বাসিন্দা সময়মত ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অসুস্থ হলে তাকে বাড়তি কর দিতে হবে। আর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সুস্থ থাকলে তাকে কর সুবিধা দেওয়া হবে।

এজিআই বার্তা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, একসাথে দুটো লক্ষ্য অর্জনে সেলিয়ার মেয়র ডাভিড জিক্কিনেলা অভিনব এই নির্দেশ জারি করেছেন — স্থানীয় বাসিন্দাদের সুস্থতা এবং সেইসাথে গ্রামের জনসংখ্যা হ্রাস থামানো।

মেয়র জিক্কিনেলা, যিনি নিজে একজন চিকিৎসক, বলেন, “যারা রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে নিজের স্বাস্থ্য তথা আমাদের পুরো গ্রামকে বিপদগ্রস্ত করবে, তাদের বাড়তি কর গুনতে হবে।”

গ্রাম পরিষদের ওয়েবসাইটে মেয়রের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রামের মধ্যে রোগগ্রস্থ হওয়া “নিষিদ্ধ”।

সেলিয়ায় ১৯৫১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১৪০০। তা কমতে কমতে এখন দাঁড়িয়েছে পাঁচশতে, যাদের ৬০ শতাংশই পেনশনার।

মেয়র জিক্কিনেলা বলেন, গ্রামের লোকসংখ্যা আরও কমুক, তিনি তা কোনোমতেই চান না। সবধরনের স্বাস্থ্য সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তিনি শুধু চাইছেন মানুষ যেন সেগুলোর সুযোগ নেয়।

সুস্থতার জন্য তার এই শক্ত পদক্ষেপ কাজে লাগছে বলে মনে হয়। গত এক মাসে একশর মত লোক স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন।

লেখাপড়া এবং কাজের জন্য তরুণ যুবকদের বাড়ি ছাড়ার প্রবণতার জেরে ইটালির গ্রাম এবং ছোট ছোট শহরে জনসংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিকরা অনেকদিন ধরেই চিন্তিত।

মানুষজন যাতে শহর না ছাড়ে, সে জন্য সিসিলির গাঙ্গি নামক একটি শহরে পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকে বিনা পয়সায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।