ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজে হত্যাকাণ্ড

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৫
  • 328

1439
যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি কলেজে ঢুকে গুলি চালিয়ে অন্তত নয় জনকে হত্যার আগে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের খুঁজছিলো বন্দুকধারী হত্যাকারী। পরে বন্দুকধারী নিজেও মারা গেছেন। তবে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন নাকি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে জানা যায়নি। খবর:সিএনএন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রোজবার্গ শহরের আম্পকুয়া কমিউনিটি কলেজে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত এক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, গুলি চালানোর আগে হত্যাকারী খ্রিস্টান শিক্ষার্থীদের আলাদা করছিলেন। আহত শিক্ষার্থী আনাসতাসিয়া বয়লান স্পাইনাল সার্জারির আগে তার বাবাকে জানান, হত্যাকারী গুলি করতে করতে ক্লাসরুমে প্রবেশ করে। এ সময় একজন অধ্যাপক ক্লাস নিচ্ছিলেন। বন্দুকধারী তখন অধ্যাপককে বলেন, আমি এটা করার জন্য অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করেছি। এরপর সে কাছ থেকে ওই অধ্যাপককে গুলি করে। এরপর অন্যদেরও গুলি করতে শুরু করে। এরপর শ্রেণিকক্ষের সকলে মেঝেতে বসে পড়ে। এরপর অস্ত্রধারী নিজের অস্ত্রে পুনরায় গুলি ভর্তি করার সময় সব শিক্ষার্থীকে দাঁড়াতে বলে এবং জিজ্ঞাসা করে তারা খ্রিস্টান কিনা। এরপর তারা উঠে দাঁড়ালে বন্দুকধারী বলেন, ভালো, তোমরা সবাই খিস্টান, তোমরা আর এক সেকেন্ডের মধ্যে গডে’র সঙ্গে দেখা করতে যাবে। এরপরই বন্দুকধারী গুলি চালাতে শুরু করে। ১৮ বছর বয়সী বয়লানের পিঠে গুলি লাগে। মাটিতে মৃতের মতো পড়ে থেকে সে প্রাণে বেঁচে আছে। বয়লানের বাবা স্টাসি সিএনএনকে এ তথ্য জানায়। হামলাকারী কমপক্ষে দুটি ক্লাসরুমে গুলি চালায়। এ ঘটনায় আরো নয় জন আহত হয়।

ডগলাস কাউন্টি শেরিফ জন হেনলিন শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারী শিক্ষার্থীদের ধর্ম পরিচয় জানতে চেয়েছিলো কিনা তা আমার জানা নেই। তবে তার উদ্দেশ্য কিছু ছিলো তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

অরেগনের হামলাকারী শনাক্ত

অরেগনের কলেজে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় জড়িত হামলাকারীর পরিচয় পেয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। তার নাম ক্রিস হার্পার মার্সার। বয়স ২৬ বছর। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা মার্সারের পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পোস্ট করা বিভিন্ন বার্তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সে ওই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলো না। ওই যুবক কেন এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পুলিশ পায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজে হত্যাকাণ্ড

আপডেট সময় : ১০:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৫

1439
যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি কলেজে ঢুকে গুলি চালিয়ে অন্তত নয় জনকে হত্যার আগে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের খুঁজছিলো বন্দুকধারী হত্যাকারী। পরে বন্দুকধারী নিজেও মারা গেছেন। তবে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন নাকি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে জানা যায়নি। খবর:সিএনএন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রোজবার্গ শহরের আম্পকুয়া কমিউনিটি কলেজে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত এক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, গুলি চালানোর আগে হত্যাকারী খ্রিস্টান শিক্ষার্থীদের আলাদা করছিলেন। আহত শিক্ষার্থী আনাসতাসিয়া বয়লান স্পাইনাল সার্জারির আগে তার বাবাকে জানান, হত্যাকারী গুলি করতে করতে ক্লাসরুমে প্রবেশ করে। এ সময় একজন অধ্যাপক ক্লাস নিচ্ছিলেন। বন্দুকধারী তখন অধ্যাপককে বলেন, আমি এটা করার জন্য অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করেছি। এরপর সে কাছ থেকে ওই অধ্যাপককে গুলি করে। এরপর অন্যদেরও গুলি করতে শুরু করে। এরপর শ্রেণিকক্ষের সকলে মেঝেতে বসে পড়ে। এরপর অস্ত্রধারী নিজের অস্ত্রে পুনরায় গুলি ভর্তি করার সময় সব শিক্ষার্থীকে দাঁড়াতে বলে এবং জিজ্ঞাসা করে তারা খ্রিস্টান কিনা। এরপর তারা উঠে দাঁড়ালে বন্দুকধারী বলেন, ভালো, তোমরা সবাই খিস্টান, তোমরা আর এক সেকেন্ডের মধ্যে গডে’র সঙ্গে দেখা করতে যাবে। এরপরই বন্দুকধারী গুলি চালাতে শুরু করে। ১৮ বছর বয়সী বয়লানের পিঠে গুলি লাগে। মাটিতে মৃতের মতো পড়ে থেকে সে প্রাণে বেঁচে আছে। বয়লানের বাবা স্টাসি সিএনএনকে এ তথ্য জানায়। হামলাকারী কমপক্ষে দুটি ক্লাসরুমে গুলি চালায়। এ ঘটনায় আরো নয় জন আহত হয়।

ডগলাস কাউন্টি শেরিফ জন হেনলিন শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারী শিক্ষার্থীদের ধর্ম পরিচয় জানতে চেয়েছিলো কিনা তা আমার জানা নেই। তবে তার উদ্দেশ্য কিছু ছিলো তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

অরেগনের হামলাকারী শনাক্ত

অরেগনের কলেজে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় জড়িত হামলাকারীর পরিচয় পেয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। তার নাম ক্রিস হার্পার মার্সার। বয়স ২৬ বছর। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা মার্সারের পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পোস্ট করা বিভিন্ন বার্তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সে ওই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলো না। ওই যুবক কেন এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পুলিশ পায়নি।