ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় মোমোর কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭, নিখোঁজ ২০

কলকাতায় মোমোর কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭, নিখোঁজ ২০

ভারতে একটি গুদামে আগুন লেগে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরো ২০ জান নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। পূর্ব কলকাতার আনন্দপুরে দুইটি গুদামে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

আনন্দপুরে নাজিরাবাদে আগুন লাগা গুদামের মালিক হলো একটি মোমো কম্পানি।

সেখানে সফট ড্রিংকস ও শুকনো খাবারের প্যাকেট ভর্তি ছিল। স্থানীয় সময় রাত তিনটের সময় আগুন লাগে। সোমবার রাতেও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। মঙ্গলবার সকালেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে টিভি৯ জানাচ্ছে।
স্থানীয় মানুষের দাবি, আগুন যখন লাগে গুদামে ৩০ জন কর্মী ছিলেন। নিখোঁজদের খোঁজ এখনও মেলেনি। উদ্ধার করা দেহাংশও সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ফলে তাদের চিহ্নিত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
ভিসেরা বা ফরেনসিক পরীক্ষার পর বোঝা যেতে পারে প্রশাসনের কর্মকর্তারা আশা করছেন।দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনেক বড় জায়গাজুড়ে দুইটি গোডাউন ছিল। ওখানে রাতে এত লোক থাকবে কেন? তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘আমি তো প্রত্যেক মাসেই বলি, দুই মাস অপেক্ষা করুন।

হয় কোথাও বোমা ফাটবে, নয় কোথাও অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন লাগবে, নইলে কোথাও কোনো বাজারে আগুন লেগে যাবে। পশ্চিমবঙ্গকে জতুগৃহ করে রাখা হয়েছে। পশ্চিমঙ্গে তো মাঝেমাঝেই এই ঘটনা ঘটছে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতায় মোমোর কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭, নিখোঁজ ২০

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে একটি গুদামে আগুন লেগে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরো ২০ জান নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। পূর্ব কলকাতার আনন্দপুরে দুইটি গুদামে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

আনন্দপুরে নাজিরাবাদে আগুন লাগা গুদামের মালিক হলো একটি মোমো কম্পানি।

সেখানে সফট ড্রিংকস ও শুকনো খাবারের প্যাকেট ভর্তি ছিল। স্থানীয় সময় রাত তিনটের সময় আগুন লাগে। সোমবার রাতেও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। মঙ্গলবার সকালেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে টিভি৯ জানাচ্ছে।
স্থানীয় মানুষের দাবি, আগুন যখন লাগে গুদামে ৩০ জন কর্মী ছিলেন। নিখোঁজদের খোঁজ এখনও মেলেনি। উদ্ধার করা দেহাংশও সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ফলে তাদের চিহ্নিত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
ভিসেরা বা ফরেনসিক পরীক্ষার পর বোঝা যেতে পারে প্রশাসনের কর্মকর্তারা আশা করছেন।দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনেক বড় জায়গাজুড়ে দুইটি গোডাউন ছিল। ওখানে রাতে এত লোক থাকবে কেন? তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘আমি তো প্রত্যেক মাসেই বলি, দুই মাস অপেক্ষা করুন।

হয় কোথাও বোমা ফাটবে, নয় কোথাও অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন লাগবে, নইলে কোথাও কোনো বাজারে আগুন লেগে যাবে। পশ্চিমবঙ্গকে জতুগৃহ করে রাখা হয়েছে। পশ্চিমঙ্গে তো মাঝেমাঝেই এই ঘটনা ঘটছে।’