উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের ভাইকে মালয়েশিয়ায় হত্যা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উনের সৎ ভাইকে মালয়েশিয়ায় হত্যা করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে মঙ্গলবার এ খবর প্রকাশ করে। খবর আল জাজিরার।
বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ দক্ষিণ কোরিয়া সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, সোমবার সকালে কিম জং-ন্যামকে হত্যা করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিভিশন চ্যানেল চোসান জানায়, উত্তর কোরিয়ার দুজন নারী কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিম জং-ন্যামকে বিষাক্ত কোনো পদার্থের মাধ্যমে হত্যা করে। তবে এ তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার মালয়েশীয় গণমাধ্যম দ্য স্টার অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ নিশ্চিত করেছে, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২-এ নিহত ব্যক্তি উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উনের সৎ ভাই কিম জং-ন্যাম।
সেলাঙ্গার সিআইডি প্রধান ফাদজিল আহমাত বলেছেন, সোমবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। দশটার ফ্লাইটে তার ম্যাকাউ যাওয়ার কথা ছিল।
‘কিম জং-ন্যাম বিমানবন্দরের অভ্যর্থণাকারীকে বলেছেন, কেউ তাকে পেছন থেকে ধরে তার মুখে পানি ছিটিয়ে দেয়। তিনি তার সাহায্য চান। তাকে দ্রুত বিমানবন্দরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। এ সময় তিনি অসুস্থবোধ করছিলেন। ক্লিনিকে নেয়ার পর তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুত্রজায়া হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছি। মালয়েশিয়া তিনি কোথাও ছিলেন এবং কার কার সঙ্গে দেখা করেছেন তারও খোঁজ নিচ্ছি।’

‘মালয়েশিয়ার উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস তার মৃতদেহ হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ করেছে। লাশ হস্তান্তরের আগে ময়নাতদন্ত করা হবে।’
কিম জং-ন্যাম এবং কিম জং-উন দুজনই উত্তর কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম জং-ইলের সন্তান। তবে তাদের মা পৃথক।
২০০১ সালে কিম জন-নামকে ভুয়া পাসপোর্টে জাপান ভ্রমণের সময় আটক হন। তখন তিনি বলেছিলেন, টোকিও ডিজনিল্যান্ড দেখতেই তার জাপান আসা।
তিনি গণমাধ্যমে একাধিক বার বলেছেন, দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার কোনো আগ্রহ তার নেই।
২০১০ সালের জাপানের আসাহি টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি তৃতীয় প্রজন্মের উত্তরাধিকারের বিরুদ্ধে।


























