ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামে অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 23

ইসলামে অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি

ইসলাম দুর্বল, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের অধিকার রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। কেননা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার সংরক্ষণ ইসলামের মৌলিক উদ্দেশ্যগুলোর অন্যতম। তাইতো স্বয়ং আল্লাহ তাআলা হাদিসে কুদসিতে ঘোষণা করে বলেন, তিন শ্রেণির লোক আছে, কিয়ামতের দিন যাদের বিরুদ্ধে আমি নিজেই প্রতিপক্ষ হবো—

১. যে ব্যক্তি আমার নামে কোনো অঙ্গীকার বা চুক্তি করে, তারপর তা ভঙ্গ করে।

২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে।

৩. এবং যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করে, তার কাছ থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক প্রদান করে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২২২৭)

আল্লাহ তাআলা সব জালিম ও অন্যায়কারীর বিরোধী হলেও এই হাদিসে তিনি বিশেষভাবে এই তিন শ্রেণির মানুষের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন, কারণ তারা প্রত্যেকে সরাসরি আল্লাহর অধিকার লঙ্ঘন করে।

প্রথমত, সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর নামে কোনো চুক্তি বা অঙ্গীকার করেছিল, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছে—এর অর্থ হলো সে আল্লাহ তাআলার নামে কোনো অঙ্গীকার করেছিল অথবা তাঁর নামে শপথ করেছিল, তারপর সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে কিংবা সে আল্লাহ তাআলার নামে বা তাঁর শরিয়তের নির্ধারিত বিধানের মাধ্যমে নিরাপত্তা বা আশ্রয় প্রদান করেছিল, পরে সেই প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে দৃঢ় অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ যা সংযুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে, তারাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামে অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি

আপডেট সময় : ০২:২২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসলাম দুর্বল, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের অধিকার রক্ষায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। কেননা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার সংরক্ষণ ইসলামের মৌলিক উদ্দেশ্যগুলোর অন্যতম। তাইতো স্বয়ং আল্লাহ তাআলা হাদিসে কুদসিতে ঘোষণা করে বলেন, তিন শ্রেণির লোক আছে, কিয়ামতের দিন যাদের বিরুদ্ধে আমি নিজেই প্রতিপক্ষ হবো—

১. যে ব্যক্তি আমার নামে কোনো অঙ্গীকার বা চুক্তি করে, তারপর তা ভঙ্গ করে।

২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে।

৩. এবং যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করে, তার কাছ থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক প্রদান করে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২২২৭)

আল্লাহ তাআলা সব জালিম ও অন্যায়কারীর বিরোধী হলেও এই হাদিসে তিনি বিশেষভাবে এই তিন শ্রেণির মানুষের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন, কারণ তারা প্রত্যেকে সরাসরি আল্লাহর অধিকার লঙ্ঘন করে।

প্রথমত, সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর নামে কোনো চুক্তি বা অঙ্গীকার করেছিল, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছে—এর অর্থ হলো সে আল্লাহ তাআলার নামে কোনো অঙ্গীকার করেছিল অথবা তাঁর নামে শপথ করেছিল, তারপর সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে কিংবা সে আল্লাহ তাআলার নামে বা তাঁর শরিয়তের নির্ধারিত বিধানের মাধ্যমে নিরাপত্তা বা আশ্রয় প্রদান করেছিল, পরে সেই প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে দৃঢ় অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ যা সংযুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে, তারাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।