তবে ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি এই সমীকরণ দ্রুত বদলে দিয়েছে। পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকিতে তেলবাজারে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের অপ্রত্যাশিত সুবিধাভোগীদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে রাশিয়া। সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে এবং বিকল্প উৎসের খোঁজে ছুটছে ক্রেতারা। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন সস্তায় পাওয়া রুশ তেল এখন আবারও মূল্যবান ও চাহিদাসম্পন্ন হয়ে উঠেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের ছাড়ে বিক্রি হচ্ছিল। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা মস্কোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ছিল তেলের দামের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ, জাহাজ পরিবহন, বীমা ও আর্থিক সেবায় বিধি-নিষেধ। এর উদ্দেশ্য ছিল ক্রেমলিনের জ্বালানি আয় কমিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দুর্বল করা।
যেখানে আগে বড় ছাড় দিয়ে তেল বিক্রি করতে হতো, এখন পরিস্থিতি উল্টো।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, 

























