ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদিসের দৃষ্টিতে রমজান ও ওমরাহর সম্মিলিত মহিমা

  • অনলাইন ডেস্ক,
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 50

হাদিসের দৃষ্টিতে রমজান ও ওমরাহর সম্মিলিত মহিমা

মানুষের জীবনে কিছু সময় আসে, যখন আসমানি দরজা যেন দুনিয়ার আরো কাছে নেমে আসে, দোয়া যেন দ্রুত কবুল হয়, আর সামান্য আমলও হয়ে ওঠে অসীম সওয়াবের কারণ। মুসলিম উম্মাহর জন্য রমজান ঠিক এমনই এক মহিমান্বিত সময়। এটি রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। এই মাসে প্রতিটি ইবাদতের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়।

আর যদি সেই রমজান মাসে আল্লাহর ঘরকে কেন্দ্র করে ওমরার মতো জান ও মালের সমন্বিত মহৎ ইবাদত সম্পাদিত হয়, তাহলে তার মর্যাদা কতটা হতে পারে, তা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভাষায়ই সবচেয়ে সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক আনসারি মহিলাকে বলেছিলেন, ‘রমজান মাসে একটি ওমরাহ আদায় করা একটি হজের সমতুল্য।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘আমার সঙ্গে একটি হজ আদায় করার সমতুল্য।’ (বুখারি, হাদিস : ১৮৬৩)

এই হাদিসটি রমজানে ওমরাহর মর্যাদার ভিত্তি।

তবে আলেমরা একমত যে এখানে সওয়াবের দিক থেকে সমতার কথা বলা হয়েছে, ফরজ হওয়ার দিক থেকে নয়। অর্থাৎ রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় না। ইমাম নববী (রহ.) লিখেছেন, ‘এর অর্থ হলো সওয়াবের ক্ষেত্রে সমতা, ফরজ হজের বিকল্প নয়।’ (আন-নববি, শরহু সহিহ মুসলিম : ৯/২)

নিম্নে পবিত্র রমজানের আরো কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো—

সময়ের মর্যাদা আমলের মর্যাদা বাড়ায়

ইসলামের একটি মৌলিক নীতি হলো সময় ও স্থানের মর্যাদা অনুযায়ী আমলের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

হাদিসের দৃষ্টিতে রমজান ও ওমরাহর সম্মিলিত মহিমা

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মানুষের জীবনে কিছু সময় আসে, যখন আসমানি দরজা যেন দুনিয়ার আরো কাছে নেমে আসে, দোয়া যেন দ্রুত কবুল হয়, আর সামান্য আমলও হয়ে ওঠে অসীম সওয়াবের কারণ। মুসলিম উম্মাহর জন্য রমজান ঠিক এমনই এক মহিমান্বিত সময়। এটি রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। এই মাসে প্রতিটি ইবাদতের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়।

আর যদি সেই রমজান মাসে আল্লাহর ঘরকে কেন্দ্র করে ওমরার মতো জান ও মালের সমন্বিত মহৎ ইবাদত সম্পাদিত হয়, তাহলে তার মর্যাদা কতটা হতে পারে, তা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভাষায়ই সবচেয়ে সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক আনসারি মহিলাকে বলেছিলেন, ‘রমজান মাসে একটি ওমরাহ আদায় করা একটি হজের সমতুল্য।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘আমার সঙ্গে একটি হজ আদায় করার সমতুল্য।’ (বুখারি, হাদিস : ১৮৬৩)

এই হাদিসটি রমজানে ওমরাহর মর্যাদার ভিত্তি।

তবে আলেমরা একমত যে এখানে সওয়াবের দিক থেকে সমতার কথা বলা হয়েছে, ফরজ হওয়ার দিক থেকে নয়। অর্থাৎ রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় না। ইমাম নববী (রহ.) লিখেছেন, ‘এর অর্থ হলো সওয়াবের ক্ষেত্রে সমতা, ফরজ হজের বিকল্প নয়।’ (আন-নববি, শরহু সহিহ মুসলিম : ৯/২)

নিম্নে পবিত্র রমজানের আরো কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো—

সময়ের মর্যাদা আমলের মর্যাদা বাড়ায়

ইসলামের একটি মৌলিক নীতি হলো সময় ও স্থানের মর্যাদা অনুযায়ী আমলের মূল্য বৃদ্ধি পায়।