ভোট শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলেও টঙ্গীর অধিকাংশ কেন্দ্রে অর্ধেক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রের বাইরে বিচ্ছিন্নভাবে ভোটার উপস্থিত থাকলেও লাইনে ভোট দিতে কম আগ্রহ দেখা গেছে। কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৫১৭৮ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩১২৭ জন, মহিলা ভোটার ২০৫০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন।
সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ৯টার দিকে পর্যন্ত লাইনে বড় কোনো ভিড় ছিল না।
কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ধানের শীষ, শাপলা, কলি, হাতপাখা, ট্রাক ও মাছ প্রতীকের প্রার্থীদের কিছু এজেন্ট উপস্থিত আছেন। এই আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী থাকলেও অনেক কেন্দ্রে ৪-৬ জন প্রার্থীর এজেন্টই দেখা যায়। তবে বেশির ভাগ এজেন্টের কাছে প্রার্থীর প্লেকার্ড ছিল না।
তাদের বক্তব্য, তারা ভোটের জন্য প্রার্থীর কার্ড বাসায় রেখে এসেছেন।
ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শওকত হোসেন জানান, যারা উপস্থিত আছেন তাদের এজেন্ট কার্যক্রম চালাচ্ছেন এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্তোষজনক। ভোটকাস্টের পরিসংখ্যান দুই ঘণ্টা অন্তর করে হিসাব করা হবে বলেও তিনি জানান। এদিকে টঙ্গীর এরশাদ নগর, মুদাফা, আরিচপুরসহ অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতেও অর্ধেকের বেশি প্রার্থীর এজেন্ট অনুপস্থিত।




















