ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেঁড়া-ফাটা টাকা কমবেশি মূল্যে কেনাবেচার বিধান

ছেঁড়া-ফাটা টাকা কমবেশি মূল্যে কেনাবেচার বিধান

টাকা ছিঁড়ে গেলে বা দুই ভাগ হয়ে গেলে অচল হয়ে যায়। কেউ নিতে চায় না। কিন্তু টাকার নম্বরগুলো স্পষ্ট থাকলে সে টাকা চালানো যায় এবং টাকার নম্বর থাকার কারণে এই টাকা যারা ক্রয় করে থাকেন, তারা বিনিময়ে কিছু টাকা কম দিয়ে থাকেন। যেমন ছেঁড়া-ফাটা এক হাজার টাকা নিয়ে গেলে তারা ওই টাকা রেখে ৯০০ টাকা দিয়ে থাকেন।

এটা কতটুকু বৈধ?

-রিদওয়ান মাহমুদ, চাঁদপুর

উত্তর

টাকা ছেঁড়া-ফাটা হোক বা অক্ষত, তা কমবেশি মূল্যে কেনাবেচা করা বৈধ নয়। সাধারণ পর্যায়ের ছেঁড়া নোট ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবর্তন করলে সমমূল্যেই পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ ক্রয় মূল্যমান অপরিবর্তনীয়ই থাকে। তাই একই দেশের মুদ্রা (ছেঁড়া বা ভালো) কমবেশি মূল্যে লেনদেন করা জায়েজ হবে না।

অবশ্য ছেঁড়া-ফাটা টাকা যারা সংগ্রহ করে, তারা এগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবর্তন করে থাকে, তাই তারা এর জন্য ন্যায্য পারিশ্রমিক নিতে পারবে। কিন্তু কম বা বেশি মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে না।

আর ভালো বা পুরাতন নোটের বিনিময়ে নতুন নোট বেশি দামে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েজ নয়। এক্ষেত্রে পারিশ্রমিকের কোনো প্রশ্ন নেই।

–ফাতাওয়া খানিয়া ৩/১৪; আলহিদায়া ৬/১৬২; দুরারুল হুক্কাম ৩/৬০৩; মাজাল্লাতু মাজমায়িল ফিকহিল ইসলামী ৩/৩/১৯৬৫; তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম ১/৫৮৭-৫৮৮; ফাতাওয়া রাহিমিয়া ৯/২০৭

উৎস: মাসিক আল-কাউসার, জানুয়ারি ২০২৬।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ছেঁড়া-ফাটা টাকা কমবেশি মূল্যে কেনাবেচার বিধান

আপডেট সময় : ১২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

টাকা ছিঁড়ে গেলে বা দুই ভাগ হয়ে গেলে অচল হয়ে যায়। কেউ নিতে চায় না। কিন্তু টাকার নম্বরগুলো স্পষ্ট থাকলে সে টাকা চালানো যায় এবং টাকার নম্বর থাকার কারণে এই টাকা যারা ক্রয় করে থাকেন, তারা বিনিময়ে কিছু টাকা কম দিয়ে থাকেন। যেমন ছেঁড়া-ফাটা এক হাজার টাকা নিয়ে গেলে তারা ওই টাকা রেখে ৯০০ টাকা দিয়ে থাকেন।

এটা কতটুকু বৈধ?

-রিদওয়ান মাহমুদ, চাঁদপুর

উত্তর

টাকা ছেঁড়া-ফাটা হোক বা অক্ষত, তা কমবেশি মূল্যে কেনাবেচা করা বৈধ নয়। সাধারণ পর্যায়ের ছেঁড়া নোট ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবর্তন করলে সমমূল্যেই পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ ক্রয় মূল্যমান অপরিবর্তনীয়ই থাকে। তাই একই দেশের মুদ্রা (ছেঁড়া বা ভালো) কমবেশি মূল্যে লেনদেন করা জায়েজ হবে না।

অবশ্য ছেঁড়া-ফাটা টাকা যারা সংগ্রহ করে, তারা এগুলো ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবর্তন করে থাকে, তাই তারা এর জন্য ন্যায্য পারিশ্রমিক নিতে পারবে। কিন্তু কম বা বেশি মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে না।

আর ভালো বা পুরাতন নোটের বিনিময়ে নতুন নোট বেশি দামে ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েজ নয়। এক্ষেত্রে পারিশ্রমিকের কোনো প্রশ্ন নেই।

–ফাতাওয়া খানিয়া ৩/১৪; আলহিদায়া ৬/১৬২; দুরারুল হুক্কাম ৩/৬০৩; মাজাল্লাতু মাজমায়িল ফিকহিল ইসলামী ৩/৩/১৯৬৫; তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম ১/৫৮৭-৫৮৮; ফাতাওয়া রাহিমিয়া ৯/২০৭

উৎস: মাসিক আল-কাউসার, জানুয়ারি ২০২৬।