ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরপর তিন বছরে তিন ইন্ডাস্ট্রি হিট শাকিবের

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 41

পরপর তিন বছরে তিন ইন্ডাস্ট্রি হিট শাকিবের

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফলতা উপহার দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তার অভিনীত নতুন সিনেমাগুলো ব্যাক টু ব্যাক যেন নতুন ইতিহাসই তৈরি করছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫—টানা তিন বছরে ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’—প্রতিটি বছরেই একটি করে ইন্ডাস্ট্রি হিট উপহার দিয়ে বিরল এক অর্জন গড়েছেন এই তারকা। দর্শক টান, আলোচনা, ব্যবসায়িক সাফল্য বিদেশি বাজার—সব সূচকেই শাকিব খানের এই তিন ছবির প্রভাব স্পষ্ট।

প্রিয়তমা: রোমান্সের নতুন অধ্যায়

আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ২০২৩ সালে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া প্রিয়তমা দেশে-বিদেশে অভাবনীয় সাড়া ফেলে। এটি বিশ্বব্যাপী ৪২ কোটি টাকার গ্রস কালেকশন করে। রোমান্টিক ঘরানার এ ছবি দেশ বিদেশের সিনেমা হলে দীর্ঘসময় ধরে রাজত্ব করে, বিশেষ করে প্রবাসী দর্শকদের কাছ থেকে রেকর্ড প্রতিক্রিয়া আসে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় যেকটি সিনেমা আলোচনায় ছিল তার মধ্যে এটি শীর্ষে ছিল বলা যায়।

তুফান: অ্যাকশন ইমোশনের ঝড়

২০২৪ সালের ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া তুফান শাকিব খানের ইমেজ পুরোপুরি পাল্টে দেয়। গ্রিটি লুক, উচ্চমানের অ্যাকশন, শক্তিশালী কাহিনি—সব মিলিয়ে এটি বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যবসাসফল ছবি হয়ে ওঠে। টানা শো হাউসফুলের মাধ্যমে এটি ইন্ডাস্ট্রি হিট হিসেবে স্বীকৃতি পায়

বরবাদ: ২০২৪-এর সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য

২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েই বরবাদ বক্স অফিসে ঝড় তোলে। নতুন যুগের গল্প, আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং শাকিব খানের পরিণত অভিনয় দর্শকদের আবারও হলে ফিরিয়ে আনে।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই রেকর্ড আয়ের খবর আসে বিভিন্ন হল মালিকদের কাছ থেকে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে – শাকিবের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, একটি তারকা যদি পরপর তিন বছর ইন্ডাস্ট্রি হিট দিতে পারেন—তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রতি দর্শকের আস্থা ফিরিয়ে আনার বড় লক্ষণ। এতে করে দর্শক যেমন সিনেমা হলমুখী হচ্ছে, নতুন প্রযোজকদেরও বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্ত হচ্ছে।

শাকিব খানের টানা তিন বছরের এই সাফল্য প্রমাণ করছে— বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমা হল যেন শাকিবের ঘাটি! তার নতুনভাবে হাজির হওয়া এবং মানসম্মত নির্মাণ পেলে দর্শক আজও হলে ভিড় করতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফলতা উপহার দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তার অভিনীত নতুন সিনেমাগুলো ব্যাক টু ব্যাক যেন নতুন ইতিহাসই তৈরি করছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫—টানা তিন বছরে ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’—প্রতিটি বছরেই একটি করে ইন্ডাস্ট্রি হিট উপহার দিয়ে বিরল এক অর্জন গড়েছেন এই তারকা। দর্শক টান, আলোচনা, ব্যবসায়িক সাফল্য বিদেশি বাজার—সব সূচকেই শাকিব খানের এই তিন ছবির প্রভাব স্পষ্ট।

আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ২০২৩ সালে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া প্রিয়তমা দেশে-বিদেশে অভাবনীয় সাড়া ফেলে। এটি বিশ্বব্যাপী ৪২ কোটি টাকার গ্রস কালেকশন করে। রোমান্টিক ঘরানার এ ছবি দেশ বিদেশের সিনেমা হলে দীর্ঘসময় ধরে রাজত্ব করে, বিশেষ করে প্রবাসী দর্শকদের কাছ থেকে রেকর্ড প্রতিক্রিয়া আসে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় যেকটি সিনেমা আলোচনায় ছিল তার মধ্যে এটি শীর্ষে ছিল বলা যায়।

তুফান: অ্যাকশন ইমোশনের ঝড়

২০২৪ সালের ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া তুফান শাকিব খানের ইমেজ পুরোপুরি পাল্টে দেয়। গ্রিটি লুক, উচ্চমানের অ্যাকশন, শক্তিশালী কাহিনি—সব মিলিয়ে এটি বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যবসাসফল ছবি হয়ে ওঠে। টানা শো হাউসফুলের মাধ্যমে এটি ইন্ডাস্ট্রি হিট হিসেবে স্বীকৃতি পায়

বরবাদ: ২০২৪-এর সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য

২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েই বরবাদ বক্স অফিসে ঝড় তোলে। নতুন যুগের গল্প, আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং শাকিব খানের পরিণত অভিনয় দর্শকদের আবারও হলে ফিরিয়ে আনে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে – শাকিবের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, একটি তারকা যদি পরপর তিন বছর ইন্ডাস্ট্রি হিট দিতে পারেন—তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রতি দর্শকের আস্থা ফিরিয়ে আনার বড় লক্ষণ। এতে করে দর্শক যেমন সিনেমা হলমুখী হচ্ছে, নতুন প্রযোজকদেরও বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্ত হচ্ছে।

শাকিব খানের টানা তিন বছরের এই সাফল্য প্রমাণ করছে— বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমা হল যেন শাকিবের ঘাটি! তার নতুনভাবে হাজির হওয়া এবং মানসম্মত নির্মাণ পেলে দর্শক আজও হলে ভিড় করতে প্রস্তুত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পরপর তিন বছরে তিন ইন্ডাস্ট্রি হিট শাকিবের

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফলতা উপহার দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তার অভিনীত নতুন সিনেমাগুলো ব্যাক টু ব্যাক যেন নতুন ইতিহাসই তৈরি করছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫—টানা তিন বছরে ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’—প্রতিটি বছরেই একটি করে ইন্ডাস্ট্রি হিট উপহার দিয়ে বিরল এক অর্জন গড়েছেন এই তারকা। দর্শক টান, আলোচনা, ব্যবসায়িক সাফল্য বিদেশি বাজার—সব সূচকেই শাকিব খানের এই তিন ছবির প্রভাব স্পষ্ট।

প্রিয়তমা: রোমান্সের নতুন অধ্যায়

আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ২০২৩ সালে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া প্রিয়তমা দেশে-বিদেশে অভাবনীয় সাড়া ফেলে। এটি বিশ্বব্যাপী ৪২ কোটি টাকার গ্রস কালেকশন করে। রোমান্টিক ঘরানার এ ছবি দেশ বিদেশের সিনেমা হলে দীর্ঘসময় ধরে রাজত্ব করে, বিশেষ করে প্রবাসী দর্শকদের কাছ থেকে রেকর্ড প্রতিক্রিয়া আসে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় যেকটি সিনেমা আলোচনায় ছিল তার মধ্যে এটি শীর্ষে ছিল বলা যায়।

তুফান: অ্যাকশন ইমোশনের ঝড়

২০২৪ সালের ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া তুফান শাকিব খানের ইমেজ পুরোপুরি পাল্টে দেয়। গ্রিটি লুক, উচ্চমানের অ্যাকশন, শক্তিশালী কাহিনি—সব মিলিয়ে এটি বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যবসাসফল ছবি হয়ে ওঠে। টানা শো হাউসফুলের মাধ্যমে এটি ইন্ডাস্ট্রি হিট হিসেবে স্বীকৃতি পায়

বরবাদ: ২০২৪-এর সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য

২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েই বরবাদ বক্স অফিসে ঝড় তোলে। নতুন যুগের গল্প, আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং শাকিব খানের পরিণত অভিনয় দর্শকদের আবারও হলে ফিরিয়ে আনে।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই রেকর্ড আয়ের খবর আসে বিভিন্ন হল মালিকদের কাছ থেকে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে – শাকিবের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, একটি তারকা যদি পরপর তিন বছর ইন্ডাস্ট্রি হিট দিতে পারেন—তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রতি দর্শকের আস্থা ফিরিয়ে আনার বড় লক্ষণ। এতে করে দর্শক যেমন সিনেমা হলমুখী হচ্ছে, নতুন প্রযোজকদেরও বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্ত হচ্ছে।

শাকিব খানের টানা তিন বছরের এই সাফল্য প্রমাণ করছে— বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমা হল যেন শাকিবের ঘাটি! তার নতুনভাবে হাজির হওয়া এবং মানসম্মত নির্মাণ পেলে দর্শক আজও হলে ভিড় করতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফলতা উপহার দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তার অভিনীত নতুন সিনেমাগুলো ব্যাক টু ব্যাক যেন নতুন ইতিহাসই তৈরি করছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫—টানা তিন বছরে ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’—প্রতিটি বছরেই একটি করে ইন্ডাস্ট্রি হিট উপহার দিয়ে বিরল এক অর্জন গড়েছেন এই তারকা। দর্শক টান, আলোচনা, ব্যবসায়িক সাফল্য বিদেশি বাজার—সব সূচকেই শাকিব খানের এই তিন ছবির প্রভাব স্পষ্ট।

আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ২০২৩ সালে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া প্রিয়তমা দেশে-বিদেশে অভাবনীয় সাড়া ফেলে। এটি বিশ্বব্যাপী ৪২ কোটি টাকার গ্রস কালেকশন করে। রোমান্টিক ঘরানার এ ছবি দেশ বিদেশের সিনেমা হলে দীর্ঘসময় ধরে রাজত্ব করে, বিশেষ করে প্রবাসী দর্শকদের কাছ থেকে রেকর্ড প্রতিক্রিয়া আসে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবচেয়ে আলোচনায় যেকটি সিনেমা আলোচনায় ছিল তার মধ্যে এটি শীর্ষে ছিল বলা যায়।

তুফান: অ্যাকশন ইমোশনের ঝড়

২০২৪ সালের ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া তুফান শাকিব খানের ইমেজ পুরোপুরি পাল্টে দেয়। গ্রিটি লুক, উচ্চমানের অ্যাকশন, শক্তিশালী কাহিনি—সব মিলিয়ে এটি বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যবসাসফল ছবি হয়ে ওঠে। টানা শো হাউসফুলের মাধ্যমে এটি ইন্ডাস্ট্রি হিট হিসেবে স্বীকৃতি পায়

বরবাদ: ২০২৪-এর সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য

২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েই বরবাদ বক্স অফিসে ঝড় তোলে। নতুন যুগের গল্প, আধুনিক নির্মাণশৈলী এবং শাকিব খানের পরিণত অভিনয় দর্শকদের আবারও হলে ফিরিয়ে আনে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে – শাকিবের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, একটি তারকা যদি পরপর তিন বছর ইন্ডাস্ট্রি হিট দিতে পারেন—তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রতি দর্শকের আস্থা ফিরিয়ে আনার বড় লক্ষণ। এতে করে দর্শক যেমন সিনেমা হলমুখী হচ্ছে, নতুন প্রযোজকদেরও বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্ত হচ্ছে।

শাকিব খানের টানা তিন বছরের এই সাফল্য প্রমাণ করছে— বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমা হল যেন শাকিবের ঘাটি! তার নতুনভাবে হাজির হওয়া এবং মানসম্মত নির্মাণ পেলে দর্শক আজও হলে ভিড় করতে প্রস্তুত।