ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছর পর মাদক মামলার রায়: ১৬ কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়া আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে দীর্ঘ এক দশক ঝুলে থাকা আলোচিত মাদক মামলার অবশেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। নাটোর থেকে এসে কুড়িগ্রামে গাঁজা ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এক আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। একইসঙ্গে অর্থদণ্ড ও গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) কুড়িগ্রাম জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তারিকুর রহমান তারিক।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহিদুল ইসলাম (৪৪) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া থানার তমালতলা হরিরামপুর গ্রামের মৃত চান খলিফার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তার অনুপস্থিতিতেই আদালত সাজা ঘোষণা করেন এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার তারামন বিবির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলামকে ১৬ কেজি গাঁজাসহ আটক করে কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশ। এ সময় তার সহযোগী সেলিম পালিয়ে যান। পরে ডিবি পুলিশের এক সদস্য বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শহিদুল ইসলামকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অপরদিকে, মামলার অপর আসামি সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় সেলিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তারিকুর রহমান তারিক। তিনি জানান, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই শহিদুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। আদালত তার অনুপস্থিতিতেই রায় দিয়েছেন এবং দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১০ বছর পর মাদক মামলার রায়: ১৬ কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়া আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামে দীর্ঘ এক দশক ঝুলে থাকা আলোচিত মাদক মামলার অবশেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। নাটোর থেকে এসে কুড়িগ্রামে গাঁজা ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এক আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। একইসঙ্গে অর্থদণ্ড ও গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) কুড়িগ্রাম জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তারিকুর রহমান তারিক।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহিদুল ইসলাম (৪৪) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া থানার তমালতলা হরিরামপুর গ্রামের মৃত চান খলিফার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তার অনুপস্থিতিতেই আদালত সাজা ঘোষণা করেন এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার তারামন বিবির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলামকে ১৬ কেজি গাঁজাসহ আটক করে কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশ। এ সময় তার সহযোগী সেলিম পালিয়ে যান। পরে ডিবি পুলিশের এক সদস্য বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শহিদুল ইসলামকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অপরদিকে, মামলার অপর আসামি সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় সেলিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তারিকুর রহমান তারিক। তিনি জানান, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই শহিদুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। আদালত তার অনুপস্থিতিতেই রায় দিয়েছেন এবং দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন