কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বলেছে, ‘এই ভুয়া দণ্ডাদেশ নিপীড়নের একটি লজ্জাজনক কাজ।
এই রায়টি হংকংয়ের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞা। জিমি লাইয়ের একমাত্র ‘অপরাধ’ হলো একটি সংবাদপত্র পরিচালনা করা এবং গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলা। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কারাগারে অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে, তাকে অবিলম্বে পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত হতে দিতে হবে।’
মার্ক সাবাহ, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ পরিচালক, কমিটি ফর ফ্রিডম ইন হংকং (সিএফএইচকে) ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ‘জিমি লাইয়ের বিরুদ্ধে এই বিচার ছিল আইনি প্রক্রিয়াকে বিকৃত করা ও প্রতারণার এক জঘন্য অনুশীলন।
ন্যায়বিচারের ছদ্মবেশে একটি প্রহসনমূলক বিচার। কিন্তু বাস্তবে যা দেখা গেছে, তা হলো বৈশ্বিক আইনি কেন্দ্র হিসেবে হংকংয়ের সুনামের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক ধ্বংস। জিমি লাই একজন ব্রিটিশ নাগরিক। জানুয়ারিতে বেইজিং সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পরিকল্পিত যাত্রার শর্ত হিসেবেই তার মুক্তি নিশ্চিত করা উচিত।
অনলাইন ডেস্ক 

























