ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে শুক্রবার গ্যারেজ বন্ধ থাকায় বিপাকে বাইকাররা!

সন্দ্বীপে শুক্রবার মোটরসাইকেল গ্রেজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে বাইকাররা।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় প্রতি শুক্রবার সকল মোটরসাইকেল গ্রেজ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাইকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেলস প্রতিনিধিরা। গত ছয় মাস ধরে এ অবস্থা চলমান থাকলেও এর কোনো কার্যকর সমাধান এখনও দেখা যায়নি।

জানা গেছে, সন্দ্বীপে প্রায় চার শতাধিক ঔষধ কোম্পানির সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠে থাকেন। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে ঘাট হয়ে বাইকে যাত্রী পরিবহন, রোগী বহন কিংবা বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সরবরাহে নিয়োজিত বাইকাররা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শুক্রবার কোনো বাইকের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে, ২৫০ বর্গমাইলের এই বিশাল উপজেলায় কোথাও সার্ভিস না পেয়ে অনেককে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

শরিফ ফার্মাসিউটিক্যালসের এমপিও মো. ইলিয়াছ বলেন, “গত শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে পেলিশ্যার বাজার থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎ আমার বাইকটি নষ্ট হয়ে যায়। গাড়িটা হেঁটে শেখ মহল পর্যন্ত নিয়ে আসি। আশপাশের কোনো বাজারে খোলা গ্রেজ পাইনি। শেষ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার হেঁটে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরি। এ রকম ভোগান্তি থেকে আমাদের মুক্তি চাই।”
আর এফ এল কোম্পানির সেরা গ্রুপের এস আর আরাফাত হোসেন বলেন আমি গুপ্তছড়া বেড়িবাঁধ পণ্যের কাজে এসে গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, গুপ্তছড়া রোডে ২০ টি হেন্ডার গ্রেজে গিয়ে কোন উপায় না পেয়ে অটোরিকশা করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ মোটরসাইকেল মেকানিক এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সোলাইমান বলেন, “সব চাকরিতে যেমন সাপ্তাহিক ছুটি আছে, তেমনি আমরাও শুক্রবার কর্মচারীদের ছুটি দিচ্ছি। তবে কেউ সংকটে পড়লে আমরা জরুরি ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। প্রয়োজনে মেকানিক পাঠানো হচ্ছে।”

স্থানীয়রা বলছেন, সপ্তাহের অন্য যেকোনো দিন ছুটি দিলেও অন্তত শুক্রবার একটি করে গ্রেজ প্রতিটি অঞ্চলে খোলা রাখা উচিত। তা না হলে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্দ্বীপে শুক্রবার গ্যারেজ বন্ধ থাকায় বিপাকে বাইকাররা!

আপডেট সময় : ০৯:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় প্রতি শুক্রবার সকল মোটরসাইকেল গ্রেজ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাইকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেলস প্রতিনিধিরা। গত ছয় মাস ধরে এ অবস্থা চলমান থাকলেও এর কোনো কার্যকর সমাধান এখনও দেখা যায়নি।

জানা গেছে, সন্দ্বীপে প্রায় চার শতাধিক ঔষধ কোম্পানির সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠে থাকেন। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে ঘাট হয়ে বাইকে যাত্রী পরিবহন, রোগী বহন কিংবা বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সরবরাহে নিয়োজিত বাইকাররা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শুক্রবার কোনো বাইকের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে, ২৫০ বর্গমাইলের এই বিশাল উপজেলায় কোথাও সার্ভিস না পেয়ে অনেককে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

শরিফ ফার্মাসিউটিক্যালসের এমপিও মো. ইলিয়াছ বলেন, “গত শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে পেলিশ্যার বাজার থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎ আমার বাইকটি নষ্ট হয়ে যায়। গাড়িটা হেঁটে শেখ মহল পর্যন্ত নিয়ে আসি। আশপাশের কোনো বাজারে খোলা গ্রেজ পাইনি। শেষ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার হেঁটে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরি। এ রকম ভোগান্তি থেকে আমাদের মুক্তি চাই।”
আর এফ এল কোম্পানির সেরা গ্রুপের এস আর আরাফাত হোসেন বলেন আমি গুপ্তছড়া বেড়িবাঁধ পণ্যের কাজে এসে গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, গুপ্তছড়া রোডে ২০ টি হেন্ডার গ্রেজে গিয়ে কোন উপায় না পেয়ে অটোরিকশা করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ মোটরসাইকেল মেকানিক এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সোলাইমান বলেন, “সব চাকরিতে যেমন সাপ্তাহিক ছুটি আছে, তেমনি আমরাও শুক্রবার কর্মচারীদের ছুটি দিচ্ছি। তবে কেউ সংকটে পড়লে আমরা জরুরি ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। প্রয়োজনে মেকানিক পাঠানো হচ্ছে।”

স্থানীয়রা বলছেন, সপ্তাহের অন্য যেকোনো দিন ছুটি দিলেও অন্তত শুক্রবার একটি করে গ্রেজ প্রতিটি অঞ্চলে খোলা রাখা উচিত। তা না হলে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।