ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শৈলকূপায় ভেজাল পেঁয়াজ বীজে কৃষকদের সর্বস্বান্ত,

শৈলকূপায় ভেজাল পেঁয়াজ বীজে কৃষকদের সর্বস্বান্ত,

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় ভেজাল ও নিম্নমানের পেঁয়াজ বীজ বিক্রির অভিযোগে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন শত শত কৃষক। উন্নত ফলনের আশায় বেশি দামে বীজ কিনে চাষ করলেও আশানুরূপ চারা না ওঠা, চারা নষ্ট হওয়া এবং ফলন বিপর্যয়ের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ কৃষকরা বিক্ষোভ করে দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, কিছু বীজ বিক্রেতা উচ্চফলনশীল ও উন্নতমানের বীজ বলে প্রতি কেজি ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বীজ বিক্রি করেন। সেই বীজ বপনের পর অনেক জমিতে চারা গজায়নি, আবার কোথাও চারা দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসানের শিকার হয়েছেন অনেক কৃষক। কেউ কেউ ঋণ নিয়ে চাষ করে এখন চরম বিপাকে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, শৈলকূপা পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত এলাকা হওয়ায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়। কিন্তু এ বছর ভেজাল বীজের কারণে অনেকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। কেউ কেউ বলেন, “বীজ কিনে জমি প্রস্তুত, শ্রমিক খরচ, সেচ, সার—সব মিলিয়ে সর্বস্ব হারিয়েছি।”
এ ঘটনার প্রতিবাদে কৃষকরা উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষকরা এবং কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শৈলকূপায় ভেজাল পেঁয়াজ বীজে কৃষকদের সর্বস্বান্ত,

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় ভেজাল ও নিম্নমানের পেঁয়াজ বীজ বিক্রির অভিযোগে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন শত শত কৃষক। উন্নত ফলনের আশায় বেশি দামে বীজ কিনে চাষ করলেও আশানুরূপ চারা না ওঠা, চারা নষ্ট হওয়া এবং ফলন বিপর্যয়ের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ কৃষকরা বিক্ষোভ করে দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, কিছু বীজ বিক্রেতা উচ্চফলনশীল ও উন্নতমানের বীজ বলে প্রতি কেজি ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বীজ বিক্রি করেন। সেই বীজ বপনের পর অনেক জমিতে চারা গজায়নি, আবার কোথাও চারা দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসানের শিকার হয়েছেন অনেক কৃষক। কেউ কেউ ঋণ নিয়ে চাষ করে এখন চরম বিপাকে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, শৈলকূপা পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত এলাকা হওয়ায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়। কিন্তু এ বছর ভেজাল বীজের কারণে অনেকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। কেউ কেউ বলেন, “বীজ কিনে জমি প্রস্তুত, শ্রমিক খরচ, সেচ, সার—সব মিলিয়ে সর্বস্ব হারিয়েছি।”
এ ঘটনার প্রতিবাদে কৃষকরা উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষকরা এবং কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।