ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে বাড়ে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি, প্রতিরোধে যা করণীয়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 39

শীতে বাড়ে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি, প্রতিরোধে যা করণীয়

শীতকালের আরামদায়ক ঠাণ্ডা অনেক সময় শরীরের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। শীতের কারণে মানুষ সাধারণত কম পানি পান করেন, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। শীতল আবহাওয়ায় ডিহাইড্রেশন বাড়ে, প্রস্রাব কম হয় এবং প্রস্রাবে থাকা খনিজ পদার্থ জমে পাথর তৈরি হয়। তাই শীতকালে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি।

যাদের আগে থেকেই কিডনিতে পাথরের সমস্যা আছে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তাদের জন্য শীতকালে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ, রেড মিট, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ভাজা খাবার খাওয়াও কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, শীতে কম পানি পান করার কারণে ডিহাইড্রেশন হয় এবং কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

কিডনিতে পাথরের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো কোমর বা পেটে ব্যথা, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা, বমি ভাব এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

প্রতিদিন ১০–১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। নুন কম খাওয়া, প্যাকেটজাত খাবার এড়ানো এবং লেবু বা কমলালেবুর মতো টক ফল খাওয়ার মাধ্যমে শরীরকে সাইট্রেট সরবরাহ করা যায়, যা কিডনিতে পাথর তৈরির সম্ভাবনা কমায়।

কম পানি পান করা, বেশি লবণযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শীতকালে কম হাঁটাচলা করা—এসব কারণই কিডনি স্টোনের প্রধান কারণ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শীতে বাড়ে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি, প্রতিরোধে যা করণীয়

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

শীতকালের আরামদায়ক ঠাণ্ডা অনেক সময় শরীরের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। শীতের কারণে মানুষ সাধারণত কম পানি পান করেন, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। শীতল আবহাওয়ায় ডিহাইড্রেশন বাড়ে, প্রস্রাব কম হয় এবং প্রস্রাবে থাকা খনিজ পদার্থ জমে পাথর তৈরি হয়। তাই শীতকালে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি।

যাদের আগে থেকেই কিডনিতে পাথরের সমস্যা আছে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তাদের জন্য শীতকালে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ, রেড মিট, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ভাজা খাবার খাওয়াও কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, শীতে কম পানি পান করার কারণে ডিহাইড্রেশন হয় এবং কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

কিডনিতে পাথরের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো কোমর বা পেটে ব্যথা, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা, বমি ভাব এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

প্রতিদিন ১০–১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। নুন কম খাওয়া, প্যাকেটজাত খাবার এড়ানো এবং লেবু বা কমলালেবুর মতো টক ফল খাওয়ার মাধ্যমে শরীরকে সাইট্রেট সরবরাহ করা যায়, যা কিডনিতে পাথর তৈরির সম্ভাবনা কমায়।

কম পানি পান করা, বেশি লবণযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শীতকালে কম হাঁটাচলা করা—এসব কারণই কিডনি স্টোনের প্রধান কারণ।