পবিত্র মাহে রমজান আত্মসংযম, ত্যাগ ও সংহতির মাস। কিন্তু সমাজে শশুরবাড়িতে ইফতার দেওয়া ও নেওয়ার প্রচলিত প্রথা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক চাপ ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে হাতিরপাড়া যুব সমাজ, গোয়াইনঘাট, সিলেট।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শশুরবাড়িতে ইফতার পাঠানো এখন অনেক পরিবারের জন্য আনন্দের নয়, বরং এক ধরনের বাধ্যবাধকতা। প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা ও লোকদেখানো আয়োজনের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আর্থিক চাপে পড়ছে। ফলে রমজানের মূল শিক্ষা—সংযম ও সহমর্মিতা—প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “ইফতার হোক সহজ, আন্তরিক ও সামর্থ্য অনুযায়ী। সামাজিক প্রথার নামে কারও উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা ইসলামসম্মত নয়। বরং এ অর্থ দিয়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই উত্তম।”
তারা সমাজের সচেতন মহল, অভিভাবক ও তরুণ প্রজন্মকে শশুরবাড়িতে ইফতার দেওয়া-নেওয়ার প্রথা বর্জনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সৌজন্যে: প্রচারে – হাতিরপাড়া যুব সমাজ, গোয়াইনঘাট, সিলেট।
শশুরবাড়িতে ইফতার দেওয়া-নেওয়া প্রথা বর্জনের আহ্বান, গোয়াইনঘাট হাতিরপাড়া যুব সমাজের সচেতনতামূলক উদ্যোগ
-
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:কবির হোসাইন - আপডেট সময় : ০৯:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- 63
শশুরবাড়িতে ইফতার দেওয়া-নেওয়া প্রথা বর্জনের আহ্বান, গোয়াইনঘাট হাতিরপাড়া যুব সমাজের সচেতনতামূলক উদ্যোগ
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ





















