ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলাধীন দীঘা গ্রামে সখের এই লটকন ( বুবি) বাগানটি অবঃ প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন নোমান সরকারকে বানিয়ে দিলো একজন সফল উদ্যোক্তা।
অবঃ প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন (নোমান) সরকার
চাকুরি থেকে অবসর নিয়ে নাড়ের
টানে চলে আসেন গাঁয়ের পৈত্রিক ভিটায়। বসত ঘরের চারপাশে প্রায় একশত চৌদ্দ (১১৪) শতাংশ জমিতে দেশী বিদেশি বিভিন্ন ফলসহ ঔষধি গাছ রোপন করেন। এখানে আম,লিচু ভিয়েতনামী কাঁঠাল ও প্রায় দুইশত পঞ্চাশটি লটকন গাছ রোপন করেন তিনি।
লটকন গাছ গুলোতে যে পরিমান লটকন ধরেছে এতে তিনি আরো উৎসাহ বোধ করছেন।
নোমান সরকার বলেন আমি সখ করে এই বাগানটি করেছিলাম তবে যে,পরিমান লটকন (বুবি) ফলন হয় প্রথমে এটি আশা করিনি। তিনি জানান গত বছর নিজে খেয়ে আত্নীয় স্বজনদের দিয়েও এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা বিক্রি করেছিলাম।
ভালো দাম পেলে এই বছর দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা বিক্রয় করা যাবে। আম কাঁঠাল সহ অন্যান্য ফলফলাদিতেও ভালো একটা টাকা আসবে। নোমান বলেন এই বাগানটিকে আমার সখের বাগান থেকে আজ আয়ের উৎস হিসাবেই দেখছি। আগামীতে আমি আরো ব্যপক ভাবে উদ্যোগ নিবো।
দীঘা গ্রামে লটকনের (বুবি) আরো অনেক বাগান রয়েছে, সবাই প্রতি বছর অনাবাদি ও পরিত্যান্ত জায়গায় লটকন চাষ করে একটা ভালো অংকের টাকা আয় করে থাকেন।
এলাকাবাসী জানান সরকার অনাবাদিও পরিত্যাক্ত জমিতে লটকন (বুবি) চাষে উদ্যোগ নিলে কৃষকরা উৎসাহী হবে এবং অনেক লাভবান হবে বলে তারা মনে করছেন ।
এবিষয়ে গফরগাঁও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নীকে না পেয়ে ফোন দিলে তিনি বলেন –
গফরগাঁও উপজেলায় ফল বাগান খুবই কম।
লটকন চাষ নি:সন্দেহে ভালো উদ্যোগ।
লটকন ফলে আপাতত সরকারি কোন প্রোগ্রাম নেই তারপরও কৃষক দের খোজ নিয়ে উনাদের মোটিভেট এবং ফল চাষ বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহন করব ইনশাআল্লাহ।






















