লামায় আইনজীবীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানহানিকর পোস্ট প্রকাশের অভিযোগে আবু কাউছারকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন লামার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আতাউল্লাহ শুনানি শেষে অভিযুক্ত আবু কাউছারকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় জামিন প্রদান করেন কিন্তু অভিযুক্ত ব্যাক্তি আদালতের নির্ধারিত সময়ে জিম্মাদার দিতে ব্যার্থ হওয়ায়, বিজ্ঞ বিচারক অভিযুক্ত আবু কাউছারকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আবু কাউছার নামের এই ব্যাক্তি বিজ্ঞ আদালতে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও তার স্বপক্ষে কোনো ডকুমেন্টস দিতে পারেননি বলে সূত্রে জানাগেছে। ওই সময় আইনজীবীরা আদালতকে জানান সে ভূয়া সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে।
এদিকে আবু কাউছারকে জেলে প্রেরনের ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় তার অপকর্মের অনেক ঘটনা প্রকাশ পায়। প্রকাশ, আবু কাউছার লামা পৌরসভার দুই নাগরিককে মোটর ট্যাঙ্কিসহ সরকারি টিউবওয়েল দেযার আশ্বাসে ৫৫ হাজার টাকা নেয়। এ ব্যাপারে লামা পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড চেয়ারম্যানপাড়ার বাসিন্দা মেঃ মামুন ও ৬ নং ওয়ার্ড কলিঙ্গাবিলের বাসিন্দা মোঃ শাজাহান লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছিলেন।
জানাযায়, ওই অভিযোগের শুনানির জন্য তাকে একাধিকবার নোটিশ করা হলেও সে শুনানি অনুষ্ঠানে হাজির হননি। গত বছর খানেক আগে সে লামার সিনিয়র সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানীকর ও হুমকি মূলক ‘বালখিল্য’ পোস্ট দিয়ে ব্যাপকভাবে বিতর্কিত হয়।
সে বিগত গণঅভ্যুত্থান- আগস্ট পরবর্তী সময়ে এলাকায় নিজেকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা পরিচয় দিয়ে সরকারি সভা সেমিনারে অংশ নেয়। তার কিছুদিন পর সে নিজেকে বিএনপির কর্মি দাবি করেন। লামা যুবদলের এক নেতা জানান, সে বিএনপি’র কোনো সংগঠনে নেই।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘আবু কাউছার আমাদের সাথে চলা ফেরা করেন, তবে সংগঠনে নেই। সে সব সময় কারনে অকারণে মানুষের পেছনে লাগে। তার সাথে কারোর সুসম্পর্ক নেই।’






















