এক পত্রিকায় লেখা নিজের সাম্প্রতিক কলামে গাভাস্কার বলেন, ‘কিছু খেলোয়াড় নিজেরা কেবল সীমিত সময়ের জন্য আইপিএল খেলেতে চায় বলে জানিয়েছে। সত্যি বলতে, যে ক্রিকেটার আইপিএলকে সম্মান করতে পারে না এবং পুরো টুর্নামেন্টে খেলতে রাজি নয়, তার জায়গা নিলামে নেই।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, জাতীয় দায়িত্ব ছাড়া অন্য কোনো প্রতিশ্রুতি যদি কারো কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে সেই খেলোয়াড়ের পেছনে নিলামে এক সেকেন্ডও নষ্ট করা উচিত নয়। গাভাস্কারের ভাষায়, ‘আইপিএল বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি লিগ। একে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার ব্যাটার জশ ইংলিস সম্প্রতি জানিয়েছেন, বিয়ের কারণে আইপিএল ২০২৬–এ তার উপস্থিতি সীমিত থাকবে।
এই উপলব্ধতা–সংকটের কারণেই আইপিএল ২০২৫ মৌসুমের আগে পাঞ্জাব কিংস তাকে ছেড়ে দেয় বলে জানিয়েছিলেন কোচ রিকি পন্টিং। তবু ইংলিস এবার নিলামে নিজের নাম তুলেছেন ২ কোটি রুপির সর্বোচ্চ বেস প্রাইসে।
এ ঘটনাটিই আবার আলোচনায় এনে দিয়েছে আংশিক সময় খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন।
গাভাস্কার তার কলামে আরো লেখেন, ভারতের যেসব ক্রিকেটার পরে বড় তারকা হয়েছেন, তাদের প্রথম আইপিএল চুক্তি ছিল বেস প্রাইসে, যেখান থেকে কঠোর পরিশ্রম ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রমাণ করেছেন।
কিন্তু এখন আনক্যাপড তরুণ খেলোয়াড়রা কোটি টাকায় চুক্তি পাচ্ছেন, অথচ বেশিরভাগই ম্যাচ খেলার সুযোগই পান না এবং এক-দুই মৌসুমের মধ্যেই হারিয়ে যান।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘রঞ্জি ট্রফিতে দ্বিগুণ দিনের ক্রিকেট খেলেও খেলোয়াড়েরা যা আয় করেন, তার বহু গুণ বেশি পাচ্ছে কিছু তরুণ যারা হয়তো মাত্র ১৬ দিনের জন্য দলে থাকে। দুঃখজনকভাবে, এদের বেশিরভাগই পরে ক্রিকেটে টিকে থাকতে পারে না।’
























