যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদক কারবারের পর এবার মাদক সেবনের ভিডিও ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে যশোরে বিপুল হোসেন ওরফে বিপুল মুহুরী। সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি তার ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিপুল মুহুরী আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।
কয়েকদিন আগে সাবেক ইউপি সদস্য ডালিমের অফিসে হামলার ঘটনায় তার নাম জড়িয়েছে। এছাড়া কদমতলা মোড়ের একটি বিরোধপূর্ণ জমি দখলের চেষ্টার পেছনেও তার হাত রয়েছে বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, বিপুল মুহুরীর এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বিএনপির জন্য এখন ‘বিষফোঁড়া’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বিপুল মুহুরীর মতো হাতেগোনা কয়েকজনের কারণে দলের নীতিনির্ধারকদের অবস্থান ও সদিচ্ছা জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিপুল মুহুরী দাবি করেছেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই এসব রটানো হচ্ছে। ফাঁস হওয়া ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি তার।
এ বিষয়ে যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা গুরুত্বের সাথে এটি পর্যবেক্ষণ করছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















