ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করেছেন পুত্রবধূ

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করেছেন পুত্রবধূ

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় গৃহবধূর হাতে সকিনা বেগম (৬০) নামে এক নারীকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহবধূ মরিয়ম খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। নিহত সকিনা বেগম শহরের বেজপাড়া এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী।

নিহতের ছেলে শহিদুল জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম তাকে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন এবং জানান, বাসায় রান্না হয়নি। এ সময় তার মায়ের খোঁজ করলে তাকে বলা হয়, তিনি বাইরে গেছেন।

রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাসায় ফিরে শহিদুল তার মাকে না পেয়ে পুনরায় খোঁজ নেন। তখনও তার স্ত্রী জানান, সকিনা বেগম বাসায় ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে জানায়।

পরে রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে বাসার সামনে একটি বস্তার মধ্যে মরদেহ দেখতে পান শহিদুল। পরবর্তীতে তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম মরদেহটি সকিনা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছেন পুলিশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করেছেন পুত্রবধূ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় গৃহবধূর হাতে সকিনা বেগম (৬০) নামে এক নারীকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহবধূ মরিয়ম খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। নিহত সকিনা বেগম শহরের বেজপাড়া এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী।

নিহতের ছেলে শহিদুল জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম তাকে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন এবং জানান, বাসায় রান্না হয়নি। এ সময় তার মায়ের খোঁজ করলে তাকে বলা হয়, তিনি বাইরে গেছেন।

রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাসায় ফিরে শহিদুল তার মাকে না পেয়ে পুনরায় খোঁজ নেন। তখনও তার স্ত্রী জানান, সকিনা বেগম বাসায় ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে জানায়।

পরে রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে বাসার সামনে একটি বস্তার মধ্যে মরদেহ দেখতে পান শহিদুল। পরবর্তীতে তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম মরদেহটি সকিনা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছেন পুলিশ।