ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন

যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন

যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকার সাহাপাড়ায় মেয়ের হাতে মা খুন।

সোমবার গভীর রাতে
এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক মেয়েকে আটক করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভার সাহাপাড়ার মৃত কালিপদ অধিকারীর স্ত্রী গৌরী রানী (৭৫)-এর বাড়িতে ৩-৪ দিন আগে মণিরামপুরের নাগরঘোপ এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মেয়ে মৃত তরুণ অধিকারীর স্ত্রী দীপ্তি অধিকারী (৫০) বেড়াতে আসেন।

দীপ্তি অধিকারী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় সোমবার রাতে বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়ির আঙিনায় চলাফেরা করছিলেন। পরদিন সকালে দীপ্তি অধিকারীকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার দেবর পবিত্র অধিকারী (৫৬) ওই বাড়িতে আসেন। এ সময় তিনি বাড়ির দোতলায় উঠে দেখেন, তার ভাবির মা গৌরী রানী মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এছাড়া দীপ্তি অধিকারী পাশেই বাথরুমে বিবস্ত্র অবস্থায় বসে ছিলেন।

এলাকাবাসীর ধারণা, সোমবার রাতে দীপ্তি তার মায়ের সঙ্গে অবস্থানকালে তরকারি কাটার বটির আঘাত দিয়ে তার মায়ের কপাল ও মাথার পেছনে আঘাত করেন। এতে রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহের পাশেই বটির ভাঙা অংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ঘাতক মেয়েকে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহের পাশ থেকে তরকারি কাটার বটির অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক দীপ্তি অধিকারী মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন

আপডেট সময় : ০২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকার সাহাপাড়ায় মেয়ের হাতে মা খুন।

সোমবার গভীর রাতে
এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক মেয়েকে আটক করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভার সাহাপাড়ার মৃত কালিপদ অধিকারীর স্ত্রী গৌরী রানী (৭৫)-এর বাড়িতে ৩-৪ দিন আগে মণিরামপুরের নাগরঘোপ এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মেয়ে মৃত তরুণ অধিকারীর স্ত্রী দীপ্তি অধিকারী (৫০) বেড়াতে আসেন।

দীপ্তি অধিকারী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় সোমবার রাতে বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়ির আঙিনায় চলাফেরা করছিলেন। পরদিন সকালে দীপ্তি অধিকারীকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার দেবর পবিত্র অধিকারী (৫৬) ওই বাড়িতে আসেন। এ সময় তিনি বাড়ির দোতলায় উঠে দেখেন, তার ভাবির মা গৌরী রানী মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এছাড়া দীপ্তি অধিকারী পাশেই বাথরুমে বিবস্ত্র অবস্থায় বসে ছিলেন।

এলাকাবাসীর ধারণা, সোমবার রাতে দীপ্তি তার মায়ের সঙ্গে অবস্থানকালে তরকারি কাটার বটির আঘাত দিয়ে তার মায়ের কপাল ও মাথার পেছনে আঘাত করেন। এতে রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহের পাশেই বটির ভাঙা অংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ঘাতক মেয়েকে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহের পাশ থেকে তরকারি কাটার বটির অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক দীপ্তি অধিকারী মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।