গত ২৭ জানুয়ারি আসামিরা অটোরিকশা চালক সাকিলকে (২৪) ভাড়া করেন। এরপর তারা সাকিলকে বিভিন্ন স্থান ঘুরে নির্জন চরে নিয়ে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর সাকিলের মরদেহ কাঁশবনে ফেলে যান তিন বন্ধু। এরপর অটোরিকশাটি তারা খণ্ডিত করে ৪ নম্বর আসামির কাছে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
এছাড়াও ভুক্তভোগি সাকিলের ফোনটিও ২ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন তারা। দীর্ঘ দিন মরদেহটি সেখানে পড়ে ছিল, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ নিহতের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহের গায়ে থাকা প্যান্ট, শার্ট ও কোমড়ের বেল্ট দেখে সাকিলকে সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহত সাকিলের বাবা শাহীন খালাসি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
তথ্য প্রযুক্তি ও নিহত অটো চালকের ব্যবহৃত ফোনের সূত্র ধরে এই আসামিদের আটক ও খণ্ডিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এদিকে সাকিলসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আটকের খবরে স্থানীয়রা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. ফিরোজ কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেল) মো. বিল্লাল হোসেন, পিপিএম, মুন্সীগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মী।




















