যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হুমকির মুখে কিউবাকে ‘সমর্থন ও সহায়তা’ প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। কয়েক সপ্তাহ আগে কিউবার মিত্র ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র।
বেইজিং ও হাভানা দীর্ঘদিনের সমাজতান্ত্রিক মিত্র। চীনা কর্তৃপক্ষ কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কিউবার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধের বিরোধিতা করে আসছে।
চলতি মাসে উত্তেজনা আরো বেড়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, কিউবা ‘পতনের দ্বারপ্রান্তে’ রয়েছে।
ট্রাম্প হাভানাকে ‘সমঝোতায় আসতে’ বলেন, নতুবা ভেনেজুয়েলার মতো পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের এক বোমা হামলা অভিযানে ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরো আটক হন। ওই অভিযানে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন মঙ্গলবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘কিউবার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড নিয়ে চীন গভীর উদ্বেগ ও বিরোধিতা প্রকাশ করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাচ্ছি, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন করা থেকে বিরত থাকতে,’ পাশাপাশি ওয়াশিংটনকে ‘কিউবার বিরুদ্ধে আরোপিত অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহারের’ আহ্বান জানান।
গুও আরো বলেন, ‘চীন কিউবাকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মাত্রায় সমর্থন ও সহায়তা দিয়ে যাবে।’
পলিটিকো গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবায় সব ধরনের তেল আমদানি বন্ধ করতে নৌ অবরোধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে।
পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জ্বালানি হলো শাসনব্যবস্থাকে শ্বাসরোধ করে শেষ করে দেওয়ার হাতিয়ার।’
এর আগে শনিবার কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল সামরিক মহড়ার তদারকি করেন এবং সেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























