ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন স্থানীয় প্রশাসন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হউত্তর শাহপুর এলাকায় মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সংঘটিত এই ঘটনা টি।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে পূজিত প্রতিমাগুলো ভেঙে রেখে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সুত্রে খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা।

এ সময় তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যে মন্দিরে প্রবেশ করে কিছু না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে দুর্বৃত্তরা এই ভাঙচুর চালিয়ে থাকতে পারে।
তবে এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।সৌমিত্র কুমার দাস মোবাইল -01344-783445

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন স্থানীয় প্রশাসন

আপডেট সময় : ১২:২২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হউত্তর শাহপুর এলাকায় মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সংঘটিত এই ঘটনা টি।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে পূজিত প্রতিমাগুলো ভেঙে রেখে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সুত্রে খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা।

এ সময় তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যে মন্দিরে প্রবেশ করে কিছু না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে দুর্বৃত্তরা এই ভাঙচুর চালিয়ে থাকতে পারে।
তবে এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।সৌমিত্র কুমার দাস মোবাইল -01344-783445