ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ঘিরে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং দেরিতে উপস্থিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বায়োমেট্রিক হাজিরা তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে মোট ৯২ দিন বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
এছাড়া তার অফিস সময় সকাল ৮টায় শুরু হলেও নিয়মিত দেরিতে উপস্থিত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
অন্যদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগও উঠেছে উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমান ইউএইচএফপিও দায়িত্ব গ্রহণের পর গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়ন, রোগীদের চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি এবং জাতীয় র্যাংকিংয়ে অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পূর্বে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ২০-৩০ জন রোগী ভর্তি থাকলেও নানা ভোগান্তির অভিযোগ ছিল, বর্তমানে সেখানে প্রতিদিন ৭০-৮০ জন রোগী ভর্তি থেকেও নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবা পাচ্ছেন। আউটডোরে রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮০০-১০০০-এ দাঁড়িয়েছে এবং রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন।
এছাড়া, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ অন্যান্য সেবাও এখন নিয়মিতভাবে প্রদান করা হচ্ছে। গত মাসে প্রায় ২৬০ জন রোগী এই সেবা গ্রহণ করেছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তবে একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
গফরগাঁওয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ঘিরে অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগ, সেবার মানোন্নয়নে দৃশ্যমান ভাবে পরিবর্তন এসেছে।






















