ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনিপুরঘাট জামে মসজিদে মাদকবিরোধী বার্তা, কঠোর অবস্থানের ঘোষণা পুলিশের

মনিপুরঘাট জামে মসজিদে মাদকবিরোধী বার্তা, কঠোর অবস্থানের ঘোষণা পুলিশের

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মনিপুরঘাট জামে মসজিদে জুমার নামাজের আগে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। এ সময় মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া। তিনি এলাকায় মাদক নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন এবং সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, মাদক আজ সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর কারণে তরুণ প্রজন্ম বিপথে যাচ্ছে, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ। একটি এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মাদক প্রতিরোধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
ওসি জানান, মনিপুরঘাট ও আশপাশে যাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে, তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাখি, চন্দন, জুমু, নাদিম, খোকন (স্থানীয়ভাবে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত), বাবু মার্কাস, সূজন, হাসেম মেম্বারের ছেলে জীবন এবং কাটাখালী এলাকার উজ্জলসহ সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ তথ্য দিলে তার পরিচয় গোপন রাখা হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধবের প্রতি নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্থান থেকে সচেতনতার বার্তা দিলে মানুষের মধ্যে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুসল্লিরা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। এলাকাবাসীর আশা, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে মনিপুরঘাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান অগ্রগতি

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মনিপুরঘাট জামে মসজিদে মাদকবিরোধী বার্তা, কঠোর অবস্থানের ঘোষণা পুলিশের

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মনিপুরঘাট জামে মসজিদে জুমার নামাজের আগে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। এ সময় মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া। তিনি এলাকায় মাদক নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন এবং সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, মাদক আজ সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর কারণে তরুণ প্রজন্ম বিপথে যাচ্ছে, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ। একটি এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মাদক প্রতিরোধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
ওসি জানান, মনিপুরঘাট ও আশপাশে যাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে, তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাখি, চন্দন, জুমু, নাদিম, খোকন (স্থানীয়ভাবে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত), বাবু মার্কাস, সূজন, হাসেম মেম্বারের ছেলে জীবন এবং কাটাখালী এলাকার উজ্জলসহ সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ তথ্য দিলে তার পরিচয় গোপন রাখা হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধবের প্রতি নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্থান থেকে সচেতনতার বার্তা দিলে মানুষের মধ্যে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুসল্লিরা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। এলাকাবাসীর আশা, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে মনিপুরঘাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান অগ্রগতি