ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিহত তৈয়্যবা জাহান চৈতি।

ভোলায় নিজবাসা থেকে তৈয়্যবা জাহান চৈতি (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) সকালে শহরের পৌর ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়
নিহত চৈতি পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকিরের মেয়ে। তিনি এ বছর মাসুমা খানম স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে হলেও বাবার চাকরির সুবাদে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তারা ভোলা শহরের ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে চৈতি তার মায়ের কাছে পাঙাশ মাছ খাওয়ার বায়না ধরে তাকে বাজারে পাঠান। বাজার থেকে ফিরে মা দেখতে পান চৈতির ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে,
চৈতির মা সোনিয়া বেগম জানান, গত রোববার পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরে সে জানিয়েছিল পরীক্ষা ভালো হয়নি। এ নিয়ে সে মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত থাকলেও বিষয়টি কাউকে বুঝতে দেয়নি। পরীক্ষা খারাপ হওয়ার কারণেই মেয়েটি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল গিয়ে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিহত তৈয়্যবা জাহান চৈতি।

ভোলায় নিজবাসা থেকে তৈয়্যবা জাহান চৈতি (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) সকালে শহরের পৌর ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়
নিহত চৈতি পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকিরের মেয়ে। তিনি এ বছর মাসুমা খানম স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে হলেও বাবার চাকরির সুবাদে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তারা ভোলা শহরের ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে চৈতি তার মায়ের কাছে পাঙাশ মাছ খাওয়ার বায়না ধরে তাকে বাজারে পাঠান। বাজার থেকে ফিরে মা দেখতে পান চৈতির ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত নিথর দেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে,
চৈতির মা সোনিয়া বেগম জানান, গত রোববার পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরে সে জানিয়েছিল পরীক্ষা ভালো হয়নি। এ নিয়ে সে মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত থাকলেও বিষয়টি কাউকে বুঝতে দেয়নি। পরীক্ষা খারাপ হওয়ার কারণেই মেয়েটি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল গিয়ে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।