ঘটে গেল ভালবাসার আর্তনাদ আমাদের আলাদা করবেন না, আমাদের বাঁচতে দিন!” — রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কবির ও জুঁইয়ের সেই আর্তনাদ আজও বাতাসে ভাসছে। কিন্তু পরিস্থিতির মোড় এখন আদালত আর থানার বারান্দায়।
ঘটনার বর্তমান প্রেক্ষাপট:
আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছি, কিশোরী জুঁইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে কবিরের বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় একটি ‘অপহরণ মামলা’ দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার প্রেক্ষিতেই বর্তমানে কবির ও জুঁই দুজনেই থানা হেফাজতে রয়েছে।
দুই পক্ষের অবস্থান:
মেয়ের পরিবার: তাদের দাবি এটি অপহরণ, এবং সেই অনুযায়ী তারা আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।
ছেলের পরিবার: কবিরের পরিবারের দাবি, তারা স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছে এবং এর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ বা এফিডেভিট (বিয়ে ও বয়সের কপি) তারা পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন।
আমাদের কিছু জিজ্ঞাসা:
আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, কিন্তু মানবিকতার জায়গা থেকে কিছু প্রশ্ন রয়েই যায়:
১. যে ভালোবাসার সাক্ষী শত শত মানুষ, তাকে কি কেবল একটি ‘মামলা’ দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব?
২. আইনি মারপ্যাঁচে কি এই দুটি তরুণ প্রাণের আবেগ আর ভবিষ্যতের কোনো সুরক্ষা মিলবে?
৩. বিচ্ছেদ আর মামলা কি আসলেই কোনো স্থায়ী সমাধান, নাকি এটি দুই পরিবারের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে?
আদালত আর পুলিশি তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবেই। তবে সমাজ হিসেবে আমাদের কাম্য—আইন যেন কেবল কাগজের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে এই দুটি মানুষের জীবনের জটিলতা আর আবেগের প্রতিও সুবিচার করে।
রৌমারীর আকাশে এই দীর্ঘশ্বাস কবে থামবে? আমরা কি পারি না আরেকটু সংবেদনশীল হতে?






















