ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভবদহ সমস্যার সমাধান অগ্রগতি আশানুরূপ। ১০ লাখের বেশি মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে।

ভবদহ সমস্যার সমাধান অগ্রগতি আশানুরূপ। ১০ লাখের বেশি মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে।

ভবদহের কালো থাবার শিকার ১০ লাখের বেশি মানুষের দুর্ভোগ এবার লাঘবের সিমানায়।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বি এম আব্দুল মোমিন জানান প্রতিদিন কমপক্ষে ১ শত এস্কেভেটর দিয়ে ৬ টি নদীর তলদেশ খনন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫৫% খনন কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক বি এম মোমিন আরো জানান জুনের মধ্যেই ৮০% কাজ শেষ করার টার্গেট রয়েছে। বাকি কাজ শেষ হতে আগামী বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তাঁর ভাষায় ভারি বর্ষণ ও ডিজেল সংকটে খনন কাজ সম্পন্ন করতে বাড়তি সময় লাগছে।
ভবদহ সমস্যা সমাধানে অন্তবর্তীকালীন সরকার ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে। এর আওতায় উক্ত এলাকার ৬ টি নদীর ৮১.৫ কি:মি: তলদেশ খনন কাজ চলমান। কাজের গতি আশানুরূপ হওয়ায় চলতি বর্ষা মৌসুমে পানি জমার সম্ভবনা কম।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি জানান বর্ষা শুরুর আগেই ৩৩ স্লুইসগেটৈর মধ্যে ২৯ স্লুইসগেট ইতিমধ্যে সচল হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের আগেই বাকি ৪ টি সচল করা সম্ভব হবে। তিনি আরো জানান কয়েক বছর আগে ২১ কপাট বিশিষ্ট স্লুইসগেটে ৪ টি সেচ পাম্প বসানো হয়েছিল। সেচ পাম্প সচল রাখতে এখানে বিদ্যুৎ সাব ষ্টেশন করার প্রক্রিয়া বিবেচনাধীন।
কথার সাথে কাজের মিল থাকলে ভয়াবহ দুর্যোগ ছাড়া ভবদহ এবার মানুষের জন্য কাল না হয়ে আশির্বাদ হবে বলা যায়।
উল্লেখ্য যশোর জেলার সদর, মনিরামপুর, কেশবপুর, অভয়নগর, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া, ফুলতলা উপজেলার ১০ লাখের বেশি মানুষ ভবদহের কালো থাবায় ক্ষতবিক্ষত। সমস্যার সমাধান হলে এ অঞ্চলের মানুষ আকাশের চাঁদ হাতে পাবে তাঁতে কোন সন্দেহ নেই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভবদহ সমস্যার সমাধান অগ্রগতি আশানুরূপ। ১০ লাখের বেশি মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে।

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ভবদহের কালো থাবার শিকার ১০ লাখের বেশি মানুষের দুর্ভোগ এবার লাঘবের সিমানায়।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বি এম আব্দুল মোমিন জানান প্রতিদিন কমপক্ষে ১ শত এস্কেভেটর দিয়ে ৬ টি নদীর তলদেশ খনন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫৫% খনন কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক বি এম মোমিন আরো জানান জুনের মধ্যেই ৮০% কাজ শেষ করার টার্গেট রয়েছে। বাকি কাজ শেষ হতে আগামী বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তাঁর ভাষায় ভারি বর্ষণ ও ডিজেল সংকটে খনন কাজ সম্পন্ন করতে বাড়তি সময় লাগছে।
ভবদহ সমস্যা সমাধানে অন্তবর্তীকালীন সরকার ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে। এর আওতায় উক্ত এলাকার ৬ টি নদীর ৮১.৫ কি:মি: তলদেশ খনন কাজ চলমান। কাজের গতি আশানুরূপ হওয়ায় চলতি বর্ষা মৌসুমে পানি জমার সম্ভবনা কম।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি জানান বর্ষা শুরুর আগেই ৩৩ স্লুইসগেটৈর মধ্যে ২৯ স্লুইসগেট ইতিমধ্যে সচল হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের আগেই বাকি ৪ টি সচল করা সম্ভব হবে। তিনি আরো জানান কয়েক বছর আগে ২১ কপাট বিশিষ্ট স্লুইসগেটে ৪ টি সেচ পাম্প বসানো হয়েছিল। সেচ পাম্প সচল রাখতে এখানে বিদ্যুৎ সাব ষ্টেশন করার প্রক্রিয়া বিবেচনাধীন।
কথার সাথে কাজের মিল থাকলে ভয়াবহ দুর্যোগ ছাড়া ভবদহ এবার মানুষের জন্য কাল না হয়ে আশির্বাদ হবে বলা যায়।
উল্লেখ্য যশোর জেলার সদর, মনিরামপুর, কেশবপুর, অভয়নগর, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া, ফুলতলা উপজেলার ১০ লাখের বেশি মানুষ ভবদহের কালো থাবায় ক্ষতবিক্ষত। সমস্যার সমাধান হলে এ অঞ্চলের মানুষ আকাশের চাঁদ হাতে পাবে তাঁতে কোন সন্দেহ নেই।