ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াত নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াত নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০১ (নাসিরনগর) আসনে ভোট চাইতে গিয়ে প্রতিপক্ষের কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নাসিরনগর উপজেলার আশুরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিদিনের মতো জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারে বের হয়েছিলেন নারী কর্মীরা। অভিযোগ অনুযায়ী – হঠাৎ করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া মার্কার ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান মামুন ও এম এ হান্নানের কর্মী – সমর্থকদের বাধা ও কটূক্তির মুখে পড়েন তারা।

ভুক্তভোগী নারী কর্মীরা জানান, প্রচারের সময় তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয় – নারীরা কেন ঘর থেকে বের হয়েছেন, তাদের আমির নারী বিদ্বেষী এমন কথাও বলা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, অশালীন মন্তব্য ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এমনকি ভবিষ্যতে বাইরে বের না হওয়ার জন্য নিষেধও করা হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

এ ব্যাপারে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক এ কে আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন – নারী – পুরুষ সবার যেমন ভোট দেওয়ার অধিকার আছে, তেমনি সবার ভোট চাওয়ারও অধিকার আছে। আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা অবমাননাকর ও নিন্দনীয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াত নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০১ (নাসিরনগর) আসনে ভোট চাইতে গিয়ে প্রতিপক্ষের কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নাসিরনগর উপজেলার আশুরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিদিনের মতো জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারে বের হয়েছিলেন নারী কর্মীরা। অভিযোগ অনুযায়ী – হঠাৎ করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া মার্কার ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান মামুন ও এম এ হান্নানের কর্মী – সমর্থকদের বাধা ও কটূক্তির মুখে পড়েন তারা।

ভুক্তভোগী নারী কর্মীরা জানান, প্রচারের সময় তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয় – নারীরা কেন ঘর থেকে বের হয়েছেন, তাদের আমির নারী বিদ্বেষী এমন কথাও বলা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, অশালীন মন্তব্য ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। এমনকি ভবিষ্যতে বাইরে বের না হওয়ার জন্য নিষেধও করা হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

এ ব্যাপারে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক এ কে আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন – নারী – পুরুষ সবার যেমন ভোট দেওয়ার অধিকার আছে, তেমনি সবার ভোট চাওয়ারও অধিকার আছে। আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা অবমাননাকর ও নিন্দনীয়।