ব্রাক্ষণবাড়িয়া নবীনগরে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জৈব সার । এতে আমদানীকৃত রাসায়নিক সারের উপর চাপ কমার পাশাপাশি কমছে কৃষকের উৎপাদন খরচও । তৈরী হচ্ছে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র। সংশ্লিষ্টরা জানান প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সহ সব ধরনের সহায়তা দেয়া হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব এই সার উৎ’পাদনে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জৈব সার । উপজেলার ইব্রাহীমপুর , জিনোদপুর , শীবপুর ,নাটঘর বড়িকান্দি ইউনিয়নে অর্ধশতাধিক মানুষ এর সাথে জড়িত। রাসায়নিক সারের কিছু কিছু উপাদান জৈব সারের মধ্যে থাকায় কৃষক কম দামে জৈব সার ব্যবহার করে ভাল ফলন পাচ্ছে। এতে জৈব সারের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এখানে ২ ধরনের কম্পেষ্ট সার উৎপাদিত হয় । একটি ট্রাইকো কম্পোষ্ট সার অপরটি ভার্মি কম্পোষ্ট । কেঁচো গোবর , তরি-তরকারি ও ময়লা আবর্জনা থেকে তৈরী হচ্ছে এসব সার। কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বছরে এই উপজেলায় ১ হাজার টন জৈব সার বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে যার বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। জৈব সার ব্যবহারের ফলে চাপ কমছে রাসায়নিক সারের উপর । কৃষক- কৃষাণীরা জানান অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । উৎপাদিত সার জমিতে ব্যবহার করায় তাদের উৎপাদন খরচ কমেছে। পাশাপাশি অবশিষ্ট সার বিক্রি করে প্রতিমাসে উপার্জন হচ্ছে বাড়তি টাকা। প্রাথমিক ভাবে সবজি ক্ষেত ও ফল বাগানে প্রয়োগ করা হলেও এখন ফসলি জমিতেও এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। মাটির প্রাণ জৈব সার মাটিতে উপকারী ব্যাকটেরিয়ায়া গুলোকে বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান,
রাসায়নিক সারের কিছু কিছু উপাদান জৈব সারের মধ্যে থাকায় জৈব সারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এই উপজেলায় বছরে কোটি টাকার জৈব সার উৎপাদিত হচ্ছে।
পরিবেশ বান্ধব এই সার ব্যবহারের ফলে ফসলের উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে






















