ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে ফুয়েল কার্ড আবেদনে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে জরিমানা

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় ফুয়েল কার্ডের আবেদনের একটি ফর্মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে আতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিয়া নওরীন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান কাটলা ইউনিয়নের উত্তর দাউদপুর গ্রামের অহের উদ্দিনের ছেলে। ফুয়েল কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি আবেদন ফরম দাখিলের সময় সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ উঠে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিল সংগ্রহ করতে এলে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, আবেদনটি অফিস রেকর্ডের সঙ্গে মিলছে না এবং নির্দিষ্ট তারিখে ইউএনও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন না বলেও জানা যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে প্রশাসন প্রাথমিকভাবে তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

তবে প্রশাসনিক সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, ফুয়েল কার্ডের সুবিধা দ্রুত পাওয়ার চেষ্টা কিংবা প্রক্রিয়াগত ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও বিষয়টি তদন্ত ও যাচাইয়ের পরই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নথিপত্রে জালিয়াতি বা স্বাক্ষর নকলের মতো ঘটনাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখা হয়। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিরামপুরে ফুয়েল কার্ড আবেদনে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৩:৫১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় ফুয়েল কার্ডের আবেদনের একটি ফর্মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে আতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিয়া নওরীন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান কাটলা ইউনিয়নের উত্তর দাউদপুর গ্রামের অহের উদ্দিনের ছেলে। ফুয়েল কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি আবেদন ফরম দাখিলের সময় সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ উঠে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিল সংগ্রহ করতে এলে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, আবেদনটি অফিস রেকর্ডের সঙ্গে মিলছে না এবং নির্দিষ্ট তারিখে ইউএনও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন না বলেও জানা যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে প্রশাসন প্রাথমিকভাবে তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

তবে প্রশাসনিক সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, ফুয়েল কার্ডের সুবিধা দ্রুত পাওয়ার চেষ্টা কিংবা প্রক্রিয়াগত ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও বিষয়টি তদন্ত ও যাচাইয়ের পরই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নথিপত্রে জালিয়াতি বা স্বাক্ষর নকলের মতো ঘটনাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখা হয়। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।