ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৮ বসতবাড়ি, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ টাকা

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৮ বসতবাড়ি, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ টাকা

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মনকিচর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ৮টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, আগুনে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এর আগেই একের পর এক বসতঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলেন— আজিজ আহমদের ছেলে রবিউল আলম, নুরুল ইসলাম, নুরুল আমিন (রুকন), নুরুল আলম, লেদু মিয়া (দুর্বল), মোক্তার আহমদ, আকতার আহমদ ও মোহাম্মদ শফির ছেলে অলি আহমদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে রবিউল আলমের ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের আরও সাতটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। দাহ্য সামগ্রী ও ঘরগুলো কাছাকাছি থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, আগুনে তাদের ঘরবাড়ির পাশাপাশি আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। অনেক পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত প্রাথমিক সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকার ও বিত্তবানদের দ্রুত এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীর শীলকূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৮ বসতবাড়ি, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মনকিচর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ৮টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, আগুনে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এর আগেই একের পর এক বসতঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলেন— আজিজ আহমদের ছেলে রবিউল আলম, নুরুল ইসলাম, নুরুল আমিন (রুকন), নুরুল আলম, লেদু মিয়া (দুর্বল), মোক্তার আহমদ, আকতার আহমদ ও মোহাম্মদ শফির ছেলে অলি আহমদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে রবিউল আলমের ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের আরও সাতটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। দাহ্য সামগ্রী ও ঘরগুলো কাছাকাছি থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, আগুনে তাদের ঘরবাড়ির পাশাপাশি আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। অনেক পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত প্রাথমিক সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকার ও বিত্তবানদের দ্রুত এগিয়ে আসা প্রয়োজন।