ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিটা বাড়ির আঙিনায় সোনালী ধান মাড়াইয়ের উৎসব আজ কালো মেঘে ঢাকা, কৃষকের মুখে হতাশার  ছাপ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও -পাগলা উপজেলার প্রতিটা ঘরেই কৃষাণ -কৃষাণীদের মাঝে সোনালী ধান মাড়াইয়ের মহোৎসব চলছিলো তন্মধ্যে তাদের চোখে-মুখে বৃষ্টি বলয়ের ছাপ পড়ে গেছে।

ময়মনসিংহের গফরগাঁও -পাগলা  অঞ্চলে যুগযুগ ধরে বরো ধানের এই উৎসব যেন প্রকৃতির অমোঘ সৃষ্টি রহস্যে গেঁড়া, বছরের বৈশাখ- জৈষ্ঠ্যমাস তাদের মুখে ফসল ঘরে তুলার ধূম লেগে যায়। তাদের হাসি খুশীতে উচ্ছ্বসিত মুহুর্তেই দুতিন দিন যাবত পুরো আসমান জুড়ে কালো মেঘের ছায়ায় ঢেকে যায় তাদের এক চিলতে হাসির ঝলক।

ভারী বর্ষণও ঝড়ো বাতাসে আজ তারা অনিশ্চয়তায় হাহুতাশ করছে বলে জানান। নিন্ম আয়ের কৃষকগণ ধার কর্য করে কৃষিখাতে ব্যয় করেছেন, অথচ আজ তাদের ঘরে ঐ কাঙ্খিত ফলন উঠবেনা। প্রকৃতির ছুবলে এই অঞ্চলের কৃষকদের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

স্হানীয় ভুক্তভোগী কৃষকগণ বলেন-
ক্ষেতে পাকা ধান অথচ ধান কাটা শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে পারছিনা। আমাদের এলাকায় প্রতি বছর নেত্রকোনা- জামালপুর – শেরপুর এলাকা থেকে শ্রমিক আসতো কিন্ত এই বছর অতিবৃষ্টি থাকায় তারা আসতে পারছেনা,
আমাদের ধান কাটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তারা বলেন আমরা নিন্ম আয়ের মানুষ ধারদেনা করে ফসল ফলিয়েছি অথচ আমরা ধান ঘরে তুলতে পারছিনা। ঝড় বৃষ্টিতে আমাদের ব্যপক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।
এই বোর ফসলই আমাদের সারা বছরের খোঁড়াক যোগায় আর এখানেই আমরা পড়ে গেলাম চরম বিপদে। তাই সরকারের কাছে আমাদের জোড়দাবী ” কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও ” আজ আমাদের বিপদে এই শ্লোগানের যথার্থ মূল্যায়ন চাই।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিটা বাড়ির আঙিনায় সোনালী ধান মাড়াইয়ের উৎসব আজ কালো মেঘে ঢাকা, কৃষকের মুখে হতাশার  ছাপ

আপডেট সময় : ১০:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের গফরগাঁও -পাগলা উপজেলার প্রতিটা ঘরেই কৃষাণ -কৃষাণীদের মাঝে সোনালী ধান মাড়াইয়ের মহোৎসব চলছিলো তন্মধ্যে তাদের চোখে-মুখে বৃষ্টি বলয়ের ছাপ পড়ে গেছে।

ময়মনসিংহের গফরগাঁও -পাগলা  অঞ্চলে যুগযুগ ধরে বরো ধানের এই উৎসব যেন প্রকৃতির অমোঘ সৃষ্টি রহস্যে গেঁড়া, বছরের বৈশাখ- জৈষ্ঠ্যমাস তাদের মুখে ফসল ঘরে তুলার ধূম লেগে যায়। তাদের হাসি খুশীতে উচ্ছ্বসিত মুহুর্তেই দুতিন দিন যাবত পুরো আসমান জুড়ে কালো মেঘের ছায়ায় ঢেকে যায় তাদের এক চিলতে হাসির ঝলক।

ভারী বর্ষণও ঝড়ো বাতাসে আজ তারা অনিশ্চয়তায় হাহুতাশ করছে বলে জানান। নিন্ম আয়ের কৃষকগণ ধার কর্য করে কৃষিখাতে ব্যয় করেছেন, অথচ আজ তাদের ঘরে ঐ কাঙ্খিত ফলন উঠবেনা। প্রকৃতির ছুবলে এই অঞ্চলের কৃষকদের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

স্হানীয় ভুক্তভোগী কৃষকগণ বলেন-
ক্ষেতে পাকা ধান অথচ ধান কাটা শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে পারছিনা। আমাদের এলাকায় প্রতি বছর নেত্রকোনা- জামালপুর – শেরপুর এলাকা থেকে শ্রমিক আসতো কিন্ত এই বছর অতিবৃষ্টি থাকায় তারা আসতে পারছেনা,
আমাদের ধান কাটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তারা বলেন আমরা নিন্ম আয়ের মানুষ ধারদেনা করে ফসল ফলিয়েছি অথচ আমরা ধান ঘরে তুলতে পারছিনা। ঝড় বৃষ্টিতে আমাদের ব্যপক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।
এই বোর ফসলই আমাদের সারা বছরের খোঁড়াক যোগায় আর এখানেই আমরা পড়ে গেলাম চরম বিপদে। তাই সরকারের কাছে আমাদের জোড়দাবী ” কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও ” আজ আমাদের বিপদে এই শ্লোগানের যথার্থ মূল্যায়ন চাই।