ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় আবাসিক হোটেলে অজ্ঞাত নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

পাবনা শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলাকাটা লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীরা লাপাত্তা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে শহরের আওরঙ্গজেব রোডে লাকি বোর্ডিং নামে আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে ওই নারীর মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলের একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়।

পুলিশ জানায়, নিহত নারীর নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর হতে পারে। মরদেহের গলায় গভীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই হোটেলটির মালিক ও কর্মচারীদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হোটেলটি বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। এতে করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। মরদেহ হোটেলেই রাখা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ থেকে ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসার পর তদন্ত শুরু হবে এবং মরাদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় আবাসিক হোটেলে অজ্ঞাত নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:২৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

পাবনা শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলাকাটা লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীরা লাপাত্তা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে শহরের আওরঙ্গজেব রোডে লাকি বোর্ডিং নামে আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে ওই নারীর মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলের একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়।

পুলিশ জানায়, নিহত নারীর নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর হতে পারে। মরদেহের গলায় গভীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই হোটেলটির মালিক ও কর্মচারীদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হোটেলটি বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। এতে করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। মরদেহ হোটেলেই রাখা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ থেকে ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসার পর তদন্ত শুরু হবে এবং মরাদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।