ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানছড়ির বিদ্যুৎ সঙ্কট নাকি অব্যবস্থাপনার খেলা? ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন।

পানছড়ির বিদ্যুৎ সঙ্কট নাকি অব্যবস্থাপনার খেলা? ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন।

পানছড়ি যেন বিদ্যুৎ নেই, আছে শুধু লোডশেডিংয়ের দুঃস্বপ্ন। দিন-রাত মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল সাধারণ মানুষ, আর রাত নামলেই বাড়ছে ভোগান্তির তীব্র মাত্রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে রিসিভ করে না। কারেন্ট দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না,যা শুধু অসুবিধা নয়, বরং এক ধরনের মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎতের জন্য পড়তে পারছে না,সকল চাকরিজীবীরা কাজ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন,আর ব্যবসায়ীরা গুনছেন লোকসানের নানা হিসাব।

বিদ্যুৎ না থাকায় থমকে যাচ্ছে পানির সরবরাহ, দুর্বল হয়ে পড়ছে সাধারন মানুষের জীবনের মৌলিক সেবাগুলোই যেন একে একে হারিয়ে যাচ্ছে।অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ক্ষুব্ধ জনতা বলছে,এই গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া থাকা মানে অসহনীয় যন্ত্রণা। দিন তো দূরের কথা, রাতেও একটুও স্বস্তি নেই।অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুধু কার্যক্রমই ব্যাহত করছে না,এটা সরাসরি তাদের আয়-রোজগারে আঘাত হানছে।বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে,দেশের অন্য অঞ্চলে যেখানে পরিস্থিতি তুলনামূলক সহনীয়, সেখানে বরিশাল কেন সবচেয়ে বেশি ভুগছে?এমন প্রেক্ষাপটে অনেকের মুখে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন অভিযোগও,এটা কি শুধুই সংকট, নাকি এর আড়ালে আছে কোনো পরিকল্পিত অব্যবস্থাপনা বা অন্য কোনো খেলা?

পানছড়ির মানুষের দাবি একটাই,অবিলম্বে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। নইলে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ রূপ ধারন করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানছড়ির বিদ্যুৎ সঙ্কট নাকি অব্যবস্থাপনার খেলা? ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন।

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

পানছড়ি যেন বিদ্যুৎ নেই, আছে শুধু লোডশেডিংয়ের দুঃস্বপ্ন। দিন-রাত মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল সাধারণ মানুষ, আর রাত নামলেই বাড়ছে ভোগান্তির তীব্র মাত্রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে রিসিভ করে না। কারেন্ট দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না,যা শুধু অসুবিধা নয়, বরং এক ধরনের মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎতের জন্য পড়তে পারছে না,সকল চাকরিজীবীরা কাজ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন,আর ব্যবসায়ীরা গুনছেন লোকসানের নানা হিসাব।

বিদ্যুৎ না থাকায় থমকে যাচ্ছে পানির সরবরাহ, দুর্বল হয়ে পড়ছে সাধারন মানুষের জীবনের মৌলিক সেবাগুলোই যেন একে একে হারিয়ে যাচ্ছে।অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ক্ষুব্ধ জনতা বলছে,এই গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া থাকা মানে অসহনীয় যন্ত্রণা। দিন তো দূরের কথা, রাতেও একটুও স্বস্তি নেই।অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুধু কার্যক্রমই ব্যাহত করছে না,এটা সরাসরি তাদের আয়-রোজগারে আঘাত হানছে।বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে,দেশের অন্য অঞ্চলে যেখানে পরিস্থিতি তুলনামূলক সহনীয়, সেখানে বরিশাল কেন সবচেয়ে বেশি ভুগছে?এমন প্রেক্ষাপটে অনেকের মুখে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন অভিযোগও,এটা কি শুধুই সংকট, নাকি এর আড়ালে আছে কোনো পরিকল্পিত অব্যবস্থাপনা বা অন্য কোনো খেলা?

পানছড়ির মানুষের দাবি একটাই,অবিলম্বে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। নইলে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ রূপ ধারন করবে।