–
ভূমিকাঃ
………….
শরীরের পাঁচটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে কিডনি একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মানব শরিলে যত বজ্র পদার্থ থাকে তা রক্ত থেকে কিডনির মধ্যে অবস্থিত নেফ্রন গুলির সাহায্যে রক্ত থেকে শুষে নেওয়া অত্রগুলো প্রসাবের সাহায্যে বের করে দেয়। তাই প্রসাব ঝাঁজালো অম্ল এবং অ্যালকালিন যুক্ত।কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক ব্যাধি যা কিডনি নষ্ট হওয়া আগে কোন প্রকার লক্ষণ দেখা দেয় না। যখন লক্ষণ প্রকাশ পায় তখন কিছুই করার থাকে না, ফলে এ রোগে মৃত্যুপথের যাত্রী হতে হয়।
কারণ
……….
নিম্নের রোগগুলি দীর্ঘায়িত অবস্থানের কারণে কিডনির কার্যকারিতা হারায় যেমনঃ-
* ডায়াবেটিস
* উচ্চ রক্তচাপ
* কিডনি প্রদাহ
* অটোইম্মিনি রোগ
* জন্মের সময় উপস্থিত রুটি গুলু
* নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার করলে যেমনঃ naside and steroid
* সীষার বিষক্রিয়া মত বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসা
লক্ষণ
………..
* অবসাদ
* পা ও গোড়ালি ফুলে যায়
* প্রস্রাবের ধরন পরিবর্তন
* উচ্চ রক্তচাপ হওয়া
* ক্ষুধামন্দা
* বমি বমি ভাব
* হাত-পায়ের আশারতা
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
…………………….
* রক্তে ইউরিয়া ক্রিয়েটেনিন এবং আনুমানিক গ্লোমেরুলায়পরিশ্রবণ আর (eGFR)গণনা করার জন্য রক্ত পরীক্ষা
* প্রোটিন বা অ্যালবোমিন
* কিডনির গঠনের জন্য ইমেজিং পরীক্ষা করা
উপসংহার
………………
কিডনি রোগটি কোন বর্ধমান চলতে থাকলে তাকে ডাক্তারি ভাষায় CKD রোগ বলে। এই রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে লক্ষণ থাকলে আস্তে আস্তে জীবনে উপসর্গ নিয়ে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।ওই মুহূর্তে চিকিৎসা নিলেও তেমন ফল পাওয়া যায় না ফলে আস্তে আস্তে মৃত্যুর পথে রোগী চলতে থাকে।






















